শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

রসায়ন দিবস উদযাপন

চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন এঁর বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:১০ পিএম
চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন এঁর বিদায়

ক্তব্য রাখছেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর এ, কে, এম আবদুল মাননান

মেঘনা পাড়ের বাতিঘর বলে খ্যাত চাঁদপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোঃ দেলোয়র হোসেনের (বর্তমান উপাধ্যক্ষ নবাব ফয়জুননেছা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা) বিদায় এবং রসায়ন দিবস গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল এগারটায় কলেজ গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ, কে, এম আবদুল মাননান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কলেজ উপাধ্যক্ষ শেখ মোঃ খলিলুর রহমান এবং শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাহার বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান খান, প্রভাষক মোঃ রেজাউল করিম এবং প্রদর্শক লিজা আক্তার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর এ, কে, এম আবদুল মাননান বিদায়ী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেনের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

Model Hospital

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা। তোমরা অনার্স-মাস্টার্স করে যদি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে না পার, তাহলে এই শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে গেল। তিনি দক্ষ মানব সম্পদ গঠনে চাঁদপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

বিদায়ী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন গত ১৮ অক্টোবর ২০১৭ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করে।

তিনি ২৩ অক্টোবর ২০২৪ প্রফেসর পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে বিমুক্ত হয়ে ঐ দিনই অপরাহ্নে নওয়াব ফয়জুননেছা সরকারি কলেজ, লাকসাম কুমিল্লা এর উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। তিনি বিদায় অনুষ্ঠান এবং রসায়ন দিবস আয়োজন করায় কলেজ প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং চাঁদপুরবাসীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চাঁদপুর সরকারি কলেজ রসায়ন বিভাগ ভবিষ্যতে আরো সমৃদ্ধ হবে এবং দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে আরো এগিয়ে যাবে।

রসায়ন দিবস হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে দিনটিকে স্বরণীয় করে রাখার জন্য অনার্স চূড়ান্ত পরীক্ষায় সেরা চারজন শিক্ষার্থীকে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেষ্ট বিতরণ করা হয়। ফিমেল ইনডোর ইভেন্ট প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রফেসর মোঃ দেলোয়ার হোসেন কে মানপত্র, উপহার সামগ্রী এবং অতিথিবৃন্দকে ক্রেষ্ট দেয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় শিক্ষার্থীরা নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে প্রফেসর মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে তাঁর কুমিল্লাস্থ বাসায় পৌঁছে দেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital