বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে

জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের পাশে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫, ৯:১৭ পিএম
জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের পাশে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন।

আন্দোলনে আহত প্রায় ১৪৫ এবং নিহত ৩১ জনের পরিবারের কাছে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনের নির্দেশনায় শনিবার (২৯ মার্চ) জেলার প্রতিটি উপজেলায় শহীদ ও আহত পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ঈদ উপহার। জেলা প্রশাসনের দেয়া ঈদ উপহারের মধ্যে ছিল সেমাই, চিনি, গুঁড়ো দুধ, কিশমিশ, তৈল ও আতফ চাল।

এছাড়াও একই সাথে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত ২৯ শহীদ পরিবারের ঈদ উপহার পৌঁছে দেয়া হয়েছে শহীদ পরিবারের কাছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগেকে প্রশংসনীয় মনে করেন সচেতন মহল ও জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবার। তারা মনে করেন বিশেষ দিবস কিংবা বিশেষ মুহূর্তে যদি জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদদের স্মরণ করা হয় তাহলেই তাদের আত্মত্যাগ বা আহত হওয়ার যন্ত্রণা সহ্য করা সার্থক হবে। পরিবারের কাছে মনে হবে সন্তান দেশের জন্য কিছু করেছিল। তারা সকলেই জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনের প্রতি।

Model Hospital
চাঁদপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পৌঁছে দেয়া হয়েছে জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের কাছে।

জুলাই আন্দোলনের নিহত চাঁদপুর পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেনের পিতা জসিম রাজা জেলা প্রশাসনের উপহার হাতে পেয়ে বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসক সাহেবের দেয়া ঈদ উপহার পেলাম। আমার পরিবার উনার কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের বিশেষ দিনে স্মরণ করা হয়েছে। আমি এবং আমার পরিবার আমার সন্তানের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এতটুকুই প্রত্যাশা করি।

জুলাই আন্দোলনে আহত শহরের মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা মোতাহার হোসেনের পিতা জহিরুল হোসেন ঈদ উপহার পেয়ে জানান, আমার ছেলে আন্দোলনে আহত হয়েছে। সে যে যন্ত্রণা অনুভব করেছে। জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে তা কিছুটা মুছে গেছে। আমাদেরকে স্মরণে রাখা হয়েছে এর চাইতে বড় প্রাপ্তি আমাদের কাছে আর কিছু নেই। আমরা এমন উদ্যোগের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের কাছে ঈদ উপহার পাঠানো বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহসীন উদ্দিন বলেন, আমরা চেষ্টা করছি জুলাই আগস্টে আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে। অনেক পরিবারের নিহত ও আহত সদস্যটি ছিল একমাত্র আয়ের উৎস।

সামনে ঈদুল ফিতর সেই পরিবারগুলোর কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।