শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় ইরি- বোরো ধানের বাম্পার ফলন, ঘরে তোলার অপেক্ষায় কৃষকরা

মো. রাছেল প্রকাশিত: শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:০৪ পিএম
কচুয়ায় ইরি- বোরো ধানের বাম্পার ফলন, ঘরে তোলার অপেক্ষায় কৃষকরা

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 0.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় ফসলের মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। চারদিকে কাঁচা পাকা সোনালী ধানে মুখরিত হয়ে উঠেছে ফসলের মাঠ। মাঠ জুড়ে এখন সোনালি ধানের সমারোহ। রোদ আর হিমেল হাওয়ায় ফসলের মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। কৃষক-কৃষানিরা এখন দারুণ ব্যস্ত ফসল তোলাকে ঘিরে। ধান রাখার জায়গা ও শুকনোর খলা তৈরি, ধান মাড়াই মেশিন মেরামত, ধান কাটার কাঁচি ক্রয় করা নিয়ে সময় পার করছে কৃষকরা। এছাড়া আগাম জাতের কিছু বোরো ধান টুকটাক কাটা শুরু হলেও পুরো মাড়াই মৌসুম শুরু হবে আর মাত্র সপ্তাহ খানিক পর। তবে উপজেলার কৃষকেরা স্বপ্নের ফসল ধান ঘরে তোলার অপেক্ষায় এখন দিন গুণছে। উপজেলার মাঠ ঘাট জুড়ে এখন ধানের নয়নাভিরাম দৃশ্য চোখ জুড়ানো সোনালী রং দেখা যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা যায়, পৌরসভা সহ উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে ১৩ হাজার ২ শত ১০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এছাড়া সরকারি প্রণোদনা ও কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় উফশী বীজ ৯ হাজার ৫ শত ও হাইব্রিড উচ্চফলন শীল বীজ ২ হাজার ৩০০ শত কৃষক পরিবারকে ধানের বীজসহ সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষকদের নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর।

সরেজমিনে গিয়ে মাঠে দেখা যায়, মাঠে মাঠে হাওয়ায় দুলছে গাছের পাতা ও শীর্ষ। এর সাথে আনন্দে দুলছে কৃষক কৃষানীর মন। এবারে মাঠের ফসলে তেমন কোনো রোগ বালাই না থাকায় বেশ হাসিখুশি রয়েছেন কৃষকেরা। শ্রীরামপুর গ্রামের সফল কৃষক মুকুল পাটোওয়ারী জানান, এবার ১৯২ শতক জমিতে ধান রোপণ করেছি। ৯০শতক জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছি। ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আর কয়েক দিনের মধ্যে বাকি জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবো।

বোরো ধান রোপণের বিষয়ে উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের কৃষক শহীদুল ইসলাম, এমরান হোসেন ও কালচোঁ গ্রামের মনির হোসেনের সাথে কথা হলে তারা জানান, উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় আমরা নিয়মিত ধানের পরিচর্যা করেছি, নিয়ম অনুযায়ী সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করেছি। এছাড়া এবার ধান রোপনের আগে গভীর নলক‚পে যথেষ্ট পানি পাওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন শুধু ধান ঘরে তোলার অপেক্ষায়।

এবিষয়ে কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলনের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। আমি সহ আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ইরি বোরো ধান চাষের ব্যাপারে বেশ তৎপর ছিলেন। সব সময় মাঠে তদারকি সহ ও কৃষকদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করে আসছেন। সেই সঙ্গে সরকারি প্রণোদনা ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ধান চাষ বৃদ্ধিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Model Hospital

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।