শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

২৭ বছর পর শাহরাস্তি পৌরসভার পয়ঃনিষ্কাশন সংস্কারে হাত দিলেন ইউএনও

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:১১ পিএম
২৭ বছর পর শাহরাস্তি পৌরসভার পয়ঃনিষ্কাশন সংস্কারে হাত দিলেন ইউএনও
শাহরাস্তি পৌরসভার ২৭ বছর পর পয়ঃনিষ্কাশন সংস্কারে হাত দিলেন ইউএনও নিগার সুলতানা। ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক মেহেরগোদা খালের  সংস্কারের পর এবার দ্বিতীয় দফায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতিতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
গত দুইদিন ধরে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের অক্সফোর্ড ইন্টাঃ স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ঠাকুরবাজার মেহেরগোদা খাল পর্যন্ত এটির উদ্বোধন করা হয়।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালের ১৪ই অক্টোবর শাহরাস্তি পৌরসভাটির যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় এটির জনসংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ৬শ’৫০ জন। বর্তমানে ওই জনসংখ্যা বেড়ে ৪৭ হাজার ৭’শ ৪০ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে দ্রুত নগরায়ন ও জনবসতি। কিন্ত সেভাবে পৌর বাসির সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি। বরং অপরিকল্পিত নগরায়নে পৌরসভার ছোট বড় ১৭ টি খালের বেশিরভাগই এলাকা একশ্রেণীর সুবিধাভোগী মানুষ দখল করে পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। এতে জলপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে নতুন যুগের দুষন পলিথিন বর্জে সয়লাব হয়ে যায় নালা ও খাল বিল।
সঙ্গত কারনে অল্পতেই পৌর শহরের ভিটেবাড়ি প্লাবিত হয়ে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা।
এ বিষয়ে শাহরাস্তি পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা (প্রথম শ্রেণি) মোঃ তোফায়েল আহমেদ শেখ জানান, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নিগার সুলতানা বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রথমতঃ অতি গুরুত্বপূর্ণ খাল ও নালা গুলো সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা। বর্তমানে পৌর শহরের পাঁচটি বড় খাল (সারাদেশ খাল ও পুকুর খনন প্রকল্প) কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্তিকরণ করা হয়েছে।
খাল গুলো হল, মেহেরগোদা খাল, কালিয়াপাড়া, নাওড়া ৮ নং ওয়ার্ডের নিজ মেহের মৌজা, ১নং ওয়ার্ড হতে ১১ নং ওয়ার্ডের খাল।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খালগুলো সংস্কারের আওতায় নিয়ে আসতে প্রায় ৫ কোটি ৫৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকার একটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরাস্তি ও পৌর প্রশাসক নিগার সুলতানা আজ পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের একটি খালের  ময়লা-আবর্জনা-পলিথিন (বর্জ্য) অপসারন সংস্কার কাজ তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেন। ওই কাজ দ্রুত সম্পাদনে ভেকু মেশিন ব্যবহার করা হয়। এ সংস্কারের ফলে হারিয়ে যাওয়া খালটির পৌরসভার দুই কিঃমিঃ এলাকায় জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার দৃশ্যমান হবে।
আসন্ন বর্ষায় পৌরবাসীসহ খালের দুপাশে বসবাসকারী জনগণ এ সুবিধার আওতা আসবেন।
শাহরাস্তি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, ইতিমধ্যে খাল এলাকার কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আইনি প্রক্রিয়ায় ওই দখলীয় খাল পুনরুদ্ধার করে অবৈধ ব্যক্তি ও দখলদারদের উচ্ছেদ করা ও সংস্কার করা হবে।
এদিকে ওই সংস্কার কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন,  শাহরাস্তি পৌরসভার প্রধান সহকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital