বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ঘর সংস্কারে বাধা, সহায়তা চায় ভুক্তভোগীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৯:১২ পিএম
ফরিদগঞ্জে ঘর সংস্কারে বাধা, সহায়তা চায় ভুক্তভোগীরা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিজ জমিতে পুরনো ঘর সংস্কারে গিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বাধার মুখে পড়েছেন মিজানুর রহমান তপদার ও তার পরিবার। এ ঘটনায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজার এলাকায় ২০০৮ সালে মিজানুর রহমান তার নিজস্ব ৩ শতাংশ জমিতে আধা পাকা টিনশেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় পাড়ি জমানোর কারণে ঘরটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। সম্প্রতি জরাজীর্ণ ঘরটি সংস্কারের উদ্যোগ নিলে স্থানীয় একটি পক্ষ ওই জায়গা সরকারি সম্পত্তি দাবি করে বাধা দেয় এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অভিযোগ করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা সংস্কার কাজ বন্ধ রাখতে বলেন।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান গং সিএস ৫১৬ ও ৫১৭ দাগভুক্ত ৬ শতাংশ জমির বৈধ মালিক, যার মধ্যে তিনি এককভাবে ৩ শতাংশের মালিক। এই জমিতেই ওই ঘর নির্মিত।
অভিযোগে উল্লিখিত সিএস ৪১৮ (বর্তমানে বিএস ৫৭১) দাগের জমি সরকারি খতিয়ানে ‘রাস্তা’ হিসেবে চিহ্নিত হলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। মিজানুর রহমান গং ২০০৩ সাল থেকে ওই জমি একসনা লিজ নিয়ে নিয়মিত নবায়নের মাধ্যমে ভোগ দখলে রেখেছেন। যার মামলা নম্বর ৬৪/২০০৩।
ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, “পুরনো ঘরটি একটু মেরামত করে বসবাসযোগ্য করার চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ স্থানীয় কিছু লোক এসে বাধা দেয়। অথচ জায়গাটি আমাদের বৈধ মালিকানাভুক্ত এবং যেটুকু সরকারি জমি আছে, সেটিও আমরা নিয়ম অনুযায়ী লিজ নিয়েই ব্যবহার করছি। ইতিমধ্যে তারা আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে আসছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি”।
এ বিষয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুমন চন্দ্র পাল বলেন, “মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে আমি আপাতত ঘরের কাজ বন্ধ করতে বলেছি এবং এসিল্যান্ড স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি। তবে রেকর্ড অনুযায়ী, উক্ত লিজ ২০০৩ সাল থেকে বৈধভাবেই নবায়ন হচ্ছে।”
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন স্বপন মিয়াজি বলেন, “মিজানুর রহমান তার নিজস্ব জমিতে নির্মিত ঘর পুননির্মান করছেন। তারা বিএস ৪১৮ দাগের সরকারি জমি সরকারের কাছ থেকে নিয়মিত লিজ নিয়ে ব্যবহার করছেন। একটি মহল নিজেদের স্বার্থে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যেখানে বাস্তবে কোনো রাস্তার অস্তিত্ব নেই, সেখানে রাস্তার অজুহাতে বাধা দেওয়াটা অনাকাঙ্ক্ষিত।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারি জমি ব্যবহারে যদি কোনো সমস্যা থাকত, তাহলে তা দেখার দায়িত্ব সরকারের। অথচ কিছু ব্যক্তি নিজেদের সুবিধার জন্য অপ্রয়োজনে বাধা সৃষ্টি করছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এ.আর.এম জাহিদ হাসান বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে একটা অভিযোগ আসছে। প্রাথমিক ভাবে আমরা তদন্ত করে দেখলাম মিজানুর রহমান যেই দাগে ঘর করছে, উনি উনার ব্যক্তি মালিকানা জমিতে ঘর করছে। পাশের দাগটা আমাদের সরকারী সম্পত্তি। তারপরও আমরা বিষয়টা ক্ষতিয়ে দেখছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital