বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫, ৯:১০ পিএম
চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভা
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও সাহিত্য একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বক্তব্যে বলেছেন, সভাপতি হিসেবে আমি একক কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি। আমি গঠনতন্ত্রের মধ্যে থাকার চেষ্টা করেছি। আমি চেয়েছি সাহিত্য একাডেমিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে। প্রায় একযুগ ধরে স্থবির হওয়া প্রতিষ্ঠানকে সচল করাই আমার লক্ষ্য।

শুক্রবার (১৬ মে) বিকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, কাজ করলে সমালোচনা হবেই। ভালো কিছু বের করতে হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সাহিত্য নিয়ে যার কাছে তথ্য আছে তাকে বাদ দেওয়া উচিত নয়। সাহিত্য একাডেমি নিয়ে আমি সমালোচনায় পরতে চাই না।

ডিসি বলেন, আলোচনা সমালোচনা করেন তাতে কোন সমস্যা নাই, এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে ব্যক্তিগত আক্রমন করা ঠিক না। তবে এমন আলোচনা সমালোচনা দেখে আমি বুজতে পেরেছি পূর্বের জেলা প্রশাসকরা কেন উদ্যোগ নেয় নাই। আজকে আমি উদ্যোগ নেয়াতে আলোচনা সমালোচনার অংশ হয়েছি। তবে কেউ কেউ আমাকে অ্যাটাক করেছেন, যেটাতে আমি হতাশ হয়েছে। ১২ বছরের স্থবির একটা প্রতিষ্ঠানকে সচল করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছি। তাতে কি আমার ভুল হয়েছে? কিছু কিছু সমালোচনা আমি পজিটিভভাবে নিয়েছি। সাহিত্যিকদের এগিয়ে নিতে যদি সমালোচনার মধ্যে পরি তাহলেতো আমার এরকম দরকার নাই। তবে খুশি হয়েছি সাহিত্য একাডেমির নির্বাচন নিয়ে সাহিত্যিকদের কর্মচাঞ্চল্য দেখেছি।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি চাইলেই গঠনতন্ত্রের বাহিরে যেতে পারি না। চাইলে একজনকে ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিতে পারি না বা নতুন কোন ভোটার নিতে পারি না। আমি আপনাদের প্লাটফর্মকে সচল করার চেষ্টা করছি। চলেন একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করি। আমি চাই  সখ্যাগরিষ্ঠের মতামত। সেই মতামত নিয়েই আমি সাহিত্য একাডেমিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমি চাচ্ছি না থেমে যেতে। সাহিত্য একাডেমিটা সচল হোক।

এসময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকত উপস্থিত ছিলেন।

এতে সাহিত্যিকদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মো. জাহাঙ্গীর, সাহাদাত হোসেন শান্ত, কাদের পলাশ, সোহেল রুশদী, ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, মাইনুল ইসলাম মানিক, আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল, মিজানুর রহমান, নুরুন্নাহার মুন্নী, লিটন ভূঁইয়া, নুরুল ইসলাম ফরহাদ, ইসমাইল হোসেন, মোরশেদা খানম, বিপ্লব, আব্দুল্লাহ হিল কাফী, মো. সাইদুজ্জামান প্রমূখ।

সভায় আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সর্বোসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এছাড়াও খসড়া ভোটার লিস্ট, নির্বাচনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সকলের মত প্রকাশ করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।