সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দি কমপ্লেক্স পরিদর্শনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৫:৪০ পিএম
মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দি কমপ্লেক্স পরিদর্শনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

নিজস্ব প্রতিনিধি : মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম।

৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ফরাজীকান্দি দরবার শরীফে আল্লামা শায়খ বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর আল-আমিন এতিমখানার আড়াই শতাধিক এতিমদের খোঁজখবর করেন এবং সর্বশেষ সায়্যিদাতুন নিসা ফাতিমাতুয-যাহরা মহিলা শিশু সদন (ইয়াতীমখানা)’র কচিকাঁচা মেয়েদের খোঁজখবর নেন।

এসময় দোয়া পরিচালনা করেন ফরাজীকান্দি দরবার শরীফের পীর ক্বিবলা আল্লামা শায়খ মাসউদ আহমদ বোরহানী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজী শরিফুল হাসান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) ইয়াছির আরাফাত, ফরাজীকান্দি ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম, ইসলামবাদ ইউপির চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন সরকার মুকুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ইলিয়াছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক এড. আক্তারুজ্জামান, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা এ্যাড. জসিম উদ্দিন’সহ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

Model Hospital

চাঁদপুরে আটক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ এম
চাঁদপুরে আটক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা তামজিদ মৃধা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। এঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের আশ্বিনপুর মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছাড়িয়ে নেওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ওই নেতার নাম তামজিদ হাসান মৃধা (৩২)। তিনি মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। তামজিদ মৃধা ওই ইউনিয়নের আশ্বিনপুর গ্রামের মৃত আবদুল আউয়াল বাচ্চু মৃধার ছেলে। তার দুই ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জরিত। এক ভাই তোফায়েল মৃধা উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং আরেক ভাই আলম মৃধা ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক।
তামজিদ মৃধার বিরুদ্ধে মতলব দক্ষিণ থানায় ২০২৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের আশ্বিনপুর মাদ্রাসার সামনে থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি তামজিদ হাসান মৃধাকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং আটক তামজিদ মৃধার বড় ভাই তোফায়েল মৃধা, আরেক ভাই ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক আলম মৃধাসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশকে চাপ দিয়ে আটক ছাত্রলীগ সভাপতিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিএনপির নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী জানান, আটক তামজিদ মৃধার কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হলেও সবকিছু জেনে শুনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাঁকে ছাড়িয়ে নেন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ। এর ফলে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই বিএনপি নেতা সরকারি গাছ বিক্রি, সরকারি চাল আত্মসাৎসহ নানা ধরনের অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত করে অবিলম্বে আবুল কালাম আজাদসহ তার সহযোগীদের দল থেকে বহিষ্কারের জোর দাবি জানান তারা।
​ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব দক্ষিণ থানা এসআই দেলোয়ার হোসেন জানায়, অভিযান চালানোর সময় তানজিদ মৃধাকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এসে তাঁকে নিয়ে যান। তবে তাৎক্ষণিক তামজিদ মৃধা যে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমরা তা শনাক্ত করতে পারেনি। পরে বিষয়টি জানা গেছে সে ছাত্রলীগ নেতা।
​অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, তামজিদ মৃধাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সময় আমি ছিলাম না। তার ভাই তোফায়েল মৃধা ও আলম মৃধা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। আমি পরে গিয়ে জানতে পেরেছি পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে।