বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অনলাইনে প্রতারণা ঠেকাতে চাঁদপুরের ইলিশ নিবন্ধন শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫, ১০:৩৭ পিএম
অনলাইনে প্রতারণা ঠেকাতে চাঁদপুরের ইলিশ নিবন্ধন শুরু

চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইনে ‘চাঁদপুরের ইলিশ’ নামে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা ঠেকাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন এবং জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব নতুন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। জেলা প্রশাসন বলছে, চাঁদপুরে এখন থেকে অনলাইনে স্থানীয় ইলিশ বিক্রি করতে নিতে হবে জেলা প্রশাসনের নিবন্ধন। সম্প্রতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি ‘বিশেষ বিজ্ঞপ্তি’ দেওয়া হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদপুর জেলা সুস্বাদু ইলিশ মাছের জন্যে বিখ্যাত। সেই স্বাদ অক্ষুণ্ন রাখা, ইলিশের মূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জেলার মান সমুন্নত রাখার বিষয়ে জেলা প্রশাসন বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।

এতে আরও বলা হয়, চাঁদপুর জেলার ইলিশের নাম করে বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে প্রতিনিয়ত দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। চাঁদপুর জেলা প্রশাসন এ ধরনের প্রতারণা রোধে ইলিশ মাছের অনলাইন ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।’

ইলিশের অনলাইন ব্যবসার জন্যে আগ্রহী প্রার্থীদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যোগ্যতা সাপেক্ষে নির্ধারিত ফরম এ আবেদন করতে হবে এবং বর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করার মাধ্যমে নিবন্ধন গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Model Hospital

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, ‘অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ নিয়মিতই আসছে। এর কবল থেকে সাধারণ মানুষ, প্রবাসী, এমনকি প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাও বাদ যাননি। তাই প্রতারণা ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, এর সুফল সারাদেশের মানুষ পাবে।’

এদিকে, ‘অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ ক্রয়ে প্রতারক হতে সাবধান!’-এমন সচেতনতামূলক একটি প্রচার চালিয়েছে পুলিশ সুপার আব্দুর রকিবের তত্ত্বাবধায়নে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। সেখানে একটি হটলাইন নম্বর (০১৩২০১১৬৮৯৮) দিয়ে অনলাইন ক্রেতাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘ইলিশ মাছ কেনার সময় সতর্ক থাকুন, ক্যাশ অব ডেলিভারি পদ্ধতি অর্থাৎ মাছ হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধ করুন।’ এছাড়া আরও বলা হয়, ‘ইলিশ মাছের লোভনীয় অফার দেখে প্রতারণার ফাঁদে পা দেবেন না এবং কোনোভাবেই পণ্য পাওয়ার আগে টাকা পাঠাবেন না।’

এদিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, ‘আমাদের কাছে ৪১ জন অনলাইন ব্যবসায়ী এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে, যেগুলো বহু আগে থেকেই চাঁদপুর মৎস্য বিভাগ ও চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হয়ে আসছে। এখন জেলা প্রশাসক যেই উদ্যোগ নিয়েছেন, এতে প্রতারণার সুযোগ কম থাকবে।’

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার সুস্বাদু রূপালি ইলিশের জন্য বিখ্যাত চাঁদপুরকে ২০১৭ সাল থেকেই ‘ইলিশের বাড়ি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এছাড়া জেলার মৎস্য অবতরণকেন্দ্র ‘বড় স্টেশন মাছঘাট’ থেকে সবচেয়ে বেশি ইলিশ যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital