বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পৌর বিএনপির ঈদ পুর্ণমিলনী ও কর্মী সভা

স্বাধীনতার পরে কচুয়ার বিএনপিকে আমি প্রতিষ্ঠিত করেছি : এহছানুল হক মিলন

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম
স্বাধীনতার পরে কচুয়ার বিএনপিকে আমি প্রতিষ্ঠিত করেছি : এহছানুল হক মিলন

ঈদ পুর্ণমিলন ও কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন।

কচুয়ার এই সরকারী কলেজ মাঠেই আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৫ বার এসেছেন। ১৯৯৬ সালে কচুয়াবাসীর চাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি আমাকে ধানের শীর্ষের প্রতীক হাতে তোলে দেন। ১৯৯৫ সাল থেকে কচুয়ার জনগণ আমাকে ভালোবাসে। তাদের ভালেবাসার স্বরূপ ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে সংসদে পাঠিয়েছেন। ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে আমাকে পরাজিত করে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ২১ সদস্য কমিটি দিয়ে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন। তন্মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান আমার নাম নিজের হাতে লিখে ছিলেন।

২০০১ সালে আমাদের নেতা আগামীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বিসর্জন দিয়ে আপনাদের সেবা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়ে ছিলেন। আমি তাকে এই কচুয়া আসন উপহার দিয়েছিলাম। তার বিনিময়ে তিনি আমাকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

স্বাধীনতার পরে এই কচুয়ার বিএনপিকে আমি প্রতিষ্ঠিত করেছি। কচুয়ার মাটি ধার্মিকের ঘাটি, ইসলামের ঘাটি। এখন নতুন করে বেইমানের ঘাঁটি হয়েছে। যাদের আমি প্রতিষ্ঠিত করেছি চেয়ারে বসিয়েছি তারাই এখন বেইমানের খাতায় নাম লিখিয়েছে। চাঁদপুর পলিটেকনিক ইন্সউটটিটিড চাঁদপুরের পরিবর্তে আমি কচুয়ায় স্থাপন করেছি। তার কারন সারাদেশে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নেতৃত্বে দেবে কচুয়ার ছেলেরা। ১৯৯৬ সালের পর আমার বিরুদ্ধে ১৪৯ টি মামলা দিয়েছে ম খা আলমগীর। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি একটি মামলা করেনি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীককে বিজয়ী করাই হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ধাপ। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুর মুখে থেকেও আপস করেননি। শহীদ জিয়ার আদর্শে যারা বিশ^াস করে, তাদের মধ্যে বিভাজনের সুযোগ নেই।

Model Hospital
ঈদ পুর্ণমিলন ও কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি কলেজ মাঠে কচুয়া পৌর বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুর্ণমিলনী ও কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন মজুমদার ও সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন সেলিম পাটওয়ারী ও বিএনপি নেতা মোস্তাফা গাজী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান জালাল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সহসভাপতি বিএনপি নেতা শরফুদ্দিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শারফিন হোসাইন, মাহবুব আলম, ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া সরকারী ডিগ্রি কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি এ.বি.এম জসিম ইউ মাহমুদ বকাউল।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- পৌর বাজার কমিটির সভাপতি ও বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম, কড়ইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান মজু, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন আবেগ, সাধারণ সম্পাদক রইস উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মো. রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুল ইসলাম আতিক, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুন নবী সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তাফাজ্জল হোসেন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন শরিফ,সাধারণ সম্পাদক মহসিন , সাংগঠনিক সম্পাদক মহিন উদ্দিন, পৌর যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরহাদ প্রমুখ।

সভায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ বিভিন্ন সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital