শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে ‘আড়ালে আবৃত গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা’

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৫৪ এম
চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে ‘আড়ালে আবৃত গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা’

প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে কবি শিউলী মজুমদারের ‘আড়ালে আবৃত’ বইয়ের পাঠ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ৬ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় চাঁদপুর সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। লেখকের কবিতা পাঠের পাশাপাশি ‘আড়ালে আবৃত’ গ্রন্থের ওপর ব্যাপক আলোকপাত করা হয়।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে, মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজসেবক রোটারিয়ান শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন। তিনি বলেন, বইয়ের পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

কখনও কখনও একটি বই হয়ে ওঠে একজন লেখকের পরিচয়। এ সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসের কথা স্মরণে এনে একটি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন প্রধান অতিথি।

Model Hospital

সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র দাস, চাঁদপুর জেলা শারদাঞ্জলি ফোরামের সভাপতি রিপন কুমার সাহা, সাবেক ফুটবলার মিজানুর রহমান স্বপন, চাঁদপুর সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের যুগ্ম-আহ্বায়ক পি এম বিল্লাল ও অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা শাহ আলম।

আড়ালে আবৃত গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন দিলীপ ঘোষ, ফেরারী প্রিন্স, আসাদুল্লা কাহাফ, আইরিন সুলতানা লিমা, জয়ন্তী ভৌমিক ও তাফাজ্জাল ইসলাম তাফু। কবিতা পাঠ করেন রবীন্দ্র মজুমদার, মাইনুদ্দিন মুন্সি জীবন, রাইসা ইসলাম তাসনীম ও আরাফাত সানি। সংগীত পরিবশেন করেন খাদিজা মুন্নী।

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, বইয়ের পাঠ পর্যালোচনার মাধ্যমে লেখক এবং পাঠকদের মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরি হয়। বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এমন অনুষ্ঠান বেশি বেশি আয়োজন করা উচিত।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপা বলেন, আমরা চাই বই পাঠের মাধ্যমে একটি আলোকিত সমাজ তৈরি হোক। সে স্বপ্ন নিয়ে গত ৬ বছরে ১২ হাজারের অধিক বই উপহার দিয়েছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। বই পাঠ এবং বইয়ের ওপর আলোচনা যত বেশি হবে, ততই আমরা সমৃদ্ধ হবো।

অনুষ্ঠানে বই উপহার কর্মসূচি পালন শেষে শিউলী মজুমদারের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।