বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় সমীর ভট্টাচার্যের কৃতজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৫ পিএম
মতলব দক্ষিণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় সমীর ভট্টাচার্যের কৃতজ্ঞতা
​মতলব দক্ষিণে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।
​গত কয়েক দিন ধরে মণ্ডপে মণ্ডপে চলা পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি প্রদান এবং সিঁদুর খেলা শেষে দেবী দুর্গাকে অশ্রুসজল নয়নে বিদায় জানান ভক্তরা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়েই শেষ হয় এই ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
​মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৩৯টি পূজা মণ্ডপে উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপিত হওয়ায় সর্বস্তরের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান যুব ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক এবং ব্রাহ্মণ সংসদ মতলব দক্ষিণ উপজেলার আহ্বায়ক সমীর ভট্টাচার্য্য।
​এক বিশেষ বার্তায় তিনি চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ ড. জালাল উদ্দিন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইশমাম, মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদলসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এ ছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় তাঁদের বিশেষ সাধুবাদ জানান তিনি।
​সমীর ভট্টাচার্য্য বলেন, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, সুদৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্প্রীতির বন্ধনের কারণেই এ বছর মতলব দক্ষিণে অত্যন্ত সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যেভাবে সবাই এগিয়ে এসেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের ধারা আগামী দিনেও মতলব দক্ষিণ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে বজায় থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।