শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের হাঁকডাকে মুখর, কেজিতে কমেছে ২০০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩০ পিএম
চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের হাঁকডাকে মুখর, কেজিতে কমেছে ২০০ টাকা

চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের হাঁকডাকে মুখর পরিবেশ। ঘাটে ভিড়েছে ট্রলার, শ্রমিকরা ট্রলার থেকে ঝকঝকে রুপালি ইলিশ নামিয়ে আড়তের সামনে স্তূপ করে রাখছে। সেই স্তূপ থেকে ক্রেতা- বিক্রেতাদের কাছে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ থাকায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।

গত সপ্তাহের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে অনেকটা। শুক্রবার (৮ আগস্ট) একদিনেই ঘাটে উঠেছে প্রায় ৮০০ মণ ইলিশ। এতে কেজিতে দাম কমেছে প্রায় ২০০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশ এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। ৭০০–৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায়, আর ৫০০–৬০০ গ্রামের ইলিশ মিলছে ১ হাজার ৬০০ টাকায়।

তবে আশ্চর্যের বিষয়, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ধরা ইলিশের পরিমাণ খুবই কম। ঘাটে আসা অধিকাংশ ইলিশ এসেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চল- হাতিয়া, সন্দ্বীপসহ বিভিন্ন উপকূল থেকে। ফলে স্থানীয় জেলেদের জালে ধরা ইলিশ বাজারে তেমন দেখা যাচ্ছে না। যার কারণে দাম বেশি একটা কমছে না।

ক্রেতারা বলছেন, দাম কিছুটা কমায় ইলিশ কেনা এখন কিছুটা সহজ হয়েছে, তবে দাম আরও কমলে তারা বেশি পরিমাণে কিনতে পারবেন। ব্যবসায়ীরা জানান, দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম কমেছে, আর এতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় সন্তুষ্ট।

Model Hospital

গাজীপুর থেকে আসা ফরিদুল হাসান বলেন, ‘চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রথমবারের মতো ইলিশ কিনতে এসেছি। আমাদের প্রত্যাশা ছিল ঢাকার তুলনায় এখানে ইলিশের দাম একটু কম হবে। তবে পুরো আড়ত ঘুরে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। মাছ ঘাটে পর্যাপ্ত ইলিশ আছে তবে দাম আরও কিছুটা কমলে ভালো হতো।’

অনলাইনে ইলিশ বিক্রেতা জোবায়ের হাসান বলেন, ‘অনলাইনে যারা মাছ কিনুন তারা সাবধান থাকুন। কারণ অনলাইনে ইলিশ কিনে অধিকাংশ ক্রেতা প্রতারিত হয়। আপনারা ঘাটে আসবেন, না হয় বিশ্বস্ত মানুষ ধারা ইলিশ কিনবেন। অনলাইন প্রতারকদের জন্য মাছঘাটে ব্যবসায়ীদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।’

ইলিশ বিক্রেতা নবীর হোসেন ও কামাল হোসেন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ইলিশের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। দক্ষিণাঞ্চল থেকে চাঁদপুর মাছঘাটে ট্রলার আসছে। যা ইলিশের পুরো সিজনে দেখা যায়নি। মূলত দক্ষিণাঞ্চলের ট্রলার আসলে সরবরাহ বাড়ে ইলিশের। মাছঘাটে অধিকাংশ ইলিশ দক্ষিণাঞ্চলের। চাঁদপুরে পদ্মা মেঘনার ইলিশ তুলনামূলক কম ধরা পড়ছে। যার কারণে স্থানীয় বাজারে চাঁদপুরের ইলিশের দাম কমেনি। সামনে আরও বেশ কিছুদিন সময় আছে, আশাকরি তখন ইলিশের সরবরাহ আরো বাড়বে দামও কমে আসবে।’

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার জানান, ‘জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে কিছুটা ইলিশ আসতে শুরু করে। তবে কিছুদিন এসে সরবরাহ আবার তলানিতে নেমে আসে। যার কারণে ইলিশের দাম আশানুরূপ কমছে না। আগস্ট মাসের শুরু থেকে ইলিশের সরবরাহ যেভাবে বাড়ছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দাম কমার সম্ভাবনা আছে।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital