বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড ও আলাদা অধিদপ্তর গঠনের দাবিতে

চাঁদপুরে মাধ্যমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৩৫ পিএম
চাঁদপুরে মাধ্যমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রবেশপদ নবম গ্রেড, আলাদা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে চাঁদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১ টায় শহরের অঙ্গীকার পাদদেশে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক পরিবারের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক পরিবারের সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ রাশেদুল হক, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা, দীপক চন্দ্র ঘোষ, মোঃ হোসেন মিল্টন, আব্দুল আজিজ শিশির, হাফিজুর রহমান ও ইসকান্দর মির্জা।

শিক্ষক নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার বৈষম্য দূর করে মাধ্যমিক স্তরকে শক্তিশালী করতে হলে অবিলম্বে আলাদা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠন করা প্রয়োজন। দেশে বর্তমানে ২০ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লাখ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এবং কোটি শিক্ষার্থী থাকলেও একটি মাত্র মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এই বিশাল খাত পরিচালিত হচ্ছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা ক্রমাগতভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য আলাদা অধিদপ্তর থাকলেও মাধ্যমিকের জন্য এখনো আলাদা অধিদপ্তর গঠিত হয়নি, যা এক ধরনের বৈষম্য।

Model Hospital

বক্তারা বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে মাউশিকে ভেঙে দুটি পৃথক অধিদপ্তর গঠন করা হবে। কিন্তু দীর্ঘ ১৩ বছরেও এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে মাধ্যমিক শিক্ষকরা প্রশাসনিক প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পদোন্নতি, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্তি নিয়ে জটিলতায় পড়ছেন।

বক্তার আরো বলেন একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি মাধ্যমিক স্তর। প্রাথমিক শিক্ষার পর এই স্তরেই শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়। অথচ মাধ্যমিক শিক্ষার দায়িত্ব এখনো কলেজ শিক্ষকদের হাতে, যাদের অনেকের মাধ্যমিকের বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। এতে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা মনে করেন, আলাদা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠন হলে মাধ্যমিক শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নেও অগ্রগতি আসবে।

মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন। বার মধ্যে রয়েছে, আলাদা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠন, সহকারী শিক্ষকদের জন্য চারস্তরীয় পদোন্নতির সোপান চালু, ২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেলের আগের বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান, সরকারি কলেজ শিক্ষকদের মতো মাধ্যমিক শিক্ষকদেরও নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্ৰহণ, সিনিয়র শিক্ষক পদকে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা প্রদান, এবং জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের জন্য যৌক্তিক আত্তীকরণ বিধিমালা প্রণয়ন করা ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital