বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সেঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির সপ্রাবির প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোন অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি

কচুয়ায় চলাচলের রাস্তা না থাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীদের দুর্ভোগ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৭ পিএম
কচুয়ায় চলাচলের রাস্তা না থাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীদের দুর্ভোগ

কচুয়ায় সেঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী কাদাপানি দিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হয়।

রাস্তা না থাকায় দূষিত পানি ও কাদামাটি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সেঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির ১৬২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। এমন দুর্ভোগ দেখেও না দেখার ভান করে আছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা।

এ রাস্তা দিয়ে ওই গ্রামের শতশত লোকজন মসজিদ, মাদ্রাসা ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন। ছোট রাস্তার দুই পাশে বেদখল করে ঘর বাড়ি নির্মাণ করেছেন স্থানীয় লোকজন। একটু বৃষ্টি হলে রাস্তাটি পানিতে ডুবে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

সেঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাগরিকা জানান, ২০১৩ সালে এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীরা চলাচলের রাস্তা তেমন না থাকায় চলাচলের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক ও ২১৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। একটু বৃষ্টি হলে পানি ও কাদামাটি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করতে হয় শিক্ষার্থীদের । কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ও আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। রাস্তাটির দ্রুত মেরামত ও সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা জানান,বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোন অবকাঠামোর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গায় রয়েছে পুকুর ও খাল। বিদ্যালয় একটি একতলা একাডেমিক ভবনে শ্রেণীকক্ষের সংকট রয়েছে। শিক্ষার্থীরা শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের পাঠদান করতে গেলে বিদ্যালয়ের ভবনের বারিন্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

Model Hospital

অন্যদিকে বিদ্যালয়ের থেকে নামলে পুকুর ও খাল, প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করে আসছেন। যেকোনো মুহূর্তে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, ১৬২ নং সেঙ্গুয়া ভূঁইয়া বাড়ির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর চলাচলের রাস্তাটি তেমন না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি পরিদর্শন করে আসছি। আমি পরিষদ থেকে রাস্তাটি মেরামত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital