বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে এই প্রথম বৃহৎপরিসরে গণেশ পূজা উদযাপন 

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৪৯ পিএম
হাইমচরে এই প্রথম বৃহৎপরিসরে গণেশ পূজা উদযাপন 
চাঁদপুরের হাইমচরে প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে গণেশ পূজা উদযাপন করেছেন স্থানীয় সনাতনী ভক্তবৃন্দরা। অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে কয়েক হাজার ভক্তবৃন্দের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
২৭শে আগস্ট বুধবার দিনব্যাপী গণেশ পূজার আয়োজন করতে দেখা যায় চরভৈরবী হরি ও রক্ষা কালী মন্দিরে।
জানা যায়, হাইমচর  উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের চরভৈরবী  পুরাতন বাজারে ১৯৪০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে  হরি ও রক্ষা কালী মন্দির স্থাপিত হয়।চরভৈরবী বাজারটি ২০০৪ সালে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর সেখানকার সনাতন ধর্মালম্বীরা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটে বসতি স্থাপন করে।  দীর্ঘ ১৭ বছর মন্দিরের সকল কার্য বন্ধ থাকলেও  ২০২১ সালে পুরাতন বাজারের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রচেষ্টায় পুনরায় মন্দির টি চরভৈরবী ইউনিয়নে ৩ নং ওয়ার্ডের নতুন বাজারর স্থাপন করে সনাতনী বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে আরম্ভ করলেন গণেশ পূজা।
পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক, অপু পোদ্দার ও সভাপতি, নিধু বনিক সহ স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা সবাই একসাথে এই প্রথমবারের মতো গণেশ পূজার আয়োজন করেছি।  যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে উৎসাহ জোগাবে। আমরা ২০০০ এর অধিক ভক্তবৃন্দের মধ্যে দুপুরে মহা প্রসাদ বিতরণ করেছি।  আশপাশের সকল ধর্মের সবার সহযোগিতায় উৎসব মুখর  পরিবেশে পূজার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি ।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক, শংকর বনিক ও সভাপতি, লক্ষণ পোদ্দার বলেন,  মন্দিরটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর সবাইকে একত্রিত করে পুনরায় মন্দির স্থাপন করে হরি ও  রক্ষাকালী পূজার মধ্য দিয়ে আমাদের কার্যক্রম শুরু করি। এরপর থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মন্দিরের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে দুর্গা পূজা করারও পরিকল্পনা রয়েছে। মন্দিরের সদস্য কম হলেও আশেপাশের অঞ্চলের  ভক্তবৃন্দের সহযোগিতায় অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে  কোন ধরনের অসুবিধা সম্মুখীন হচ্ছি না।
হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, অমিত রায় বলেন, হাইমচর উপজেলায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বেশ কয়েকটি মন্দির থাকলেও এই মন্দিরে অনেক ভক্তবৃন্দের সমাগম হয়। কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যতে না ঘটে সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital