শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশিত হলো সুমন কুমার দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলকানন্দা শহরে’ 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫৯ পিএম
প্রকাশিত হলো সুমন কুমার দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলকানন্দা শহরে’ 
কবি সুমন কুমার দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলকানন্দা শহরে’ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আনন প্রকাশন লিমিটেড।
বইটি সম্পর্কে কবি সুমন কুমার দত্ত বলেন, কবিতার ব্যাখ্যা ব্যক্তি বিশেষ ভিন্নভিন্ন। আমার কাঁচা অনুভূতি, জটিল সমীকরণ মেলাতে পারি না। তাই বলায় এবং লেখায় নির্যাসটুকু প্রাধান্য দিই বরাবর। উল্লিখিত কবিতাগুলোতে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। বিচারভার আপনাদের ভালোবাসার উপর ছেড়ে দিলাম।
৪৮ পৃষ্ঠার বইটিতে মোট ৩৭টি কবিতা রয়েছে।  বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে কবির বাবা স্বপন কুমার দত্ত ও মা চন্দনা রাণী দত্তকে। প্রকাশক স.ম. শামসুল আলম। প্রচ্ছদ করেছেন মনিরুজ্জামান পলাশ। মূল্য ২০০ টাকা। পাঠকরা রকমারি বা আনন প্রকাশনের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন।
মাধ্যমিক জীবনে সুমন কুমার দত্তের লেখালেখির সূচনা। এরপর স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন পত্রিকা ও লিটলম্যাগে নিয়মিত লিখছেন। তিনি সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর-এর নির্বাহী সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। প্রায় দেড়যুগ ধরে “সাহিত্য কণ্ঠ” নামে একটি ছোটকাগজ সম্পাদনা করছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত। পাশাপাশি স্থানীয় গণমাধ্যম দৈনিক শপথ ও Crrnews24.com-এ বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।
সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা। এর মধ্যে রয়েছে পাঠক ফোরাম সেরা ফিচারিস্ট পুরস্কার (২০০৫), মৃত্তিকা পদক (২০১১), বাংলাদেশ সংস্কৃতি পরিষদ সম্মাননা স্মারক (২০১১), সাহিত্য আসর সম্মাননা (২০১৪), ছায়াবাণী সাহিত্য সম্মাননা (২০১৬), দোনাগাজী পদক (২০১৯) এবং সাহিত্য মঞ্চ শুভেচ্ছা স্মারক (২০২৫) উল্লেখযোগ্য।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।