শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ স্মরণে প্যাপিরাসে সাহিত্য আড্ডা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৭ পিএম
রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ স্মরণে প্যাপিরাসে সাহিত্য আড্ডা

রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ চাঁদ টাওয়ারে অবস্থিত পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় কবি ফররুখ আহমদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করেন সংগঠক ও সমাজসেবক আশিক খান, পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী সদস্য নাজমুল ইসলাম, বংশিবাদক বেলাল শেখ, সাহিত্যানুরাগী ঝরনা আক্তার, আকবর হোসেন লিটন, সাইফুল ইসলাম রাজিব ও লিটন দাস।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ ক্রান্তি ও সংকটকালের পদপর্দশক। কবিতার ভাষায় তিনি বুঝিয়েছেন, সমাজের নীতি নির্ধারকরাই যদি ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে তাহলে পথ দেখাবে কে? নিষ্ক্রিয় এবং নিষ্প্রাণ মনোবল দিয়ে বিশ^জয় করা যায় না। বিশ্বজয় করতে হলে এবং উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিতে হলে সবসময় নিজেকে সজাগ ও সতেজ রাখতে হবে। কুসংস্কার এবং সেকেলে চিন্তা বাদ দিয়ে বাস্তবমুখী হতে হবে। ইতিহাসের বীর যোদ্ধাদের সাফল্য থেকে অনুপ্রেরণা নিতে হবে।

Model Hospital

সভাপ্রধান মোহাম্মদ শাহ আলমের বলেন, কবি ফররুখ আহমদের কবিতায় নান্দনিকভাবে আরবি ও ফার্সি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। কবিতায় তৎকালীন মুসলিম সমাজের অসঙ্গিতগুলো তুলে ধরে তিনি সমাজকে জাগ্রত করার প্রয়াস চালিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ‘প্রাণের শক্তি বাড়ায় বই, বই পড়ে মানুষ হই’-স্লোগানে এ পাঠাগার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।