বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রয়াত কমরেড শাহজাহান তালুকদারের শোকসভা

শাহজাহান তালুকদার একজন নির্লোভ মানুষ ছিলেন : কমরেড খালেকুজ্জামান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:১৪ পিএম
শাহজাহান তালুকদার একজন নির্লোভ মানুষ ছিলেন : কমরেড খালেকুজ্জামান

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ চাঁদপুর জেলার সমন্বয়ক প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা কমরেড শাহজাহান তালুকদারের স্মরণে শোকসভা ১০নভেম্বর, সোমবার, বিকাল তিনটায় চাঁদপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয়।

শোকসভা আয়োজক কমিটির আহবায়ক কমরেড আলমগীর হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে ও শোকসভা আয়োজক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক কমরেড আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল – বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক আহবায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন এফএফ কমান্ডার কমরেড খালেকুজ্জামান।

শোকসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা বাসদ নেতা কমরেড দীপালি রানী, অ্যাডভোকেট শীতল ঘোষ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চাঁদপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর, আয়োজক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুূদ রানা, আয়োজক কমিটির সদস্য রহিমা আক্তার কলি,প্রয়াত কমরেড শাহজাহান তালুকদারের ছোট ভাই মো: মতিউর রহমান।

শোকসভায় কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হলে মানব সমাজ অর্থাৎ মানুষের জন্য কাজ করে থাকে থাকেন একজন মানুষ। তখন মানুষ তার আদর্শ,সততা, নিষ্ঠাকে পাথেয় করে তোলেন।

Model Hospital

কমরেড শাহজাহান তালুকদার সে রকমের একজন নির্লোভ মানুষ ছিলেন। সমাজের মানুষের মুক্তির জন্য শাহজাহান তালুকদার আমৃত্য লড়াই করে গিয়ে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন। শাহজাহান তালুকদারের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। শাহজাহান তালুকদারও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে জীবনের শেষ পর্যন্ত লড়াই সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন হয়নি। বরঞ্চ মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করতে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা আবারও চরম বিরোধীতায় নেমেছে।

মেহনতি মানুষের মুক্তি নিয়ে মুক্তিযুূদ্ধবিরোধীদের কোন কাজ নেই। তাই মেহনতি মানুষের মুক্তির পথ সমাজতন্ত্র ছাড়া আর কোনটাই দিতে পারবেনা। সেই মানবমুক্তির পথে শাহজাহান তালুকদার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে গেছেন। তার যে আকাক্সক্ষা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। সে লক্ষ্যে যারা বেঁচে আছেন তাদের কাজ করে যেতে হবে,শোষণমুক্তির সমাজ নির্মাণের সংগ্রামে নিয়োজিত হতে হবে।

শোকসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড নিখিল দাস, কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সদস্য কমরেড আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড: জহিরুল ইসলাম, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য কমরেড চন্দ্র শেখর মজুমদার,সদর উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড দুলাল গোস্বামী,বাসদ নেতা জিএম বাদশা, হারুনুর রশীদ, জয়দেব কর্মকার, আব্দুর রহিম, সাবেক ছাত্র ফ্রন্ট নেতা আব্দুল কাদের মানিক, সুধীর বরণ মাঝি, ছাত্র ইউনিয়ন জেলার সাবেক সভাপতি মো: সোহেল রানা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital