শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকায় আন্দোলনে আহত হয়ে চাঁদপুরের শিক্ষিকার মৃত্যু

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ পিএম
ঢাকায় আন্দোলনে আহত হয়ে চাঁদপুরের শিক্ষিকার মৃত্যু
রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেধাবী ও ৫নং ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার।
১০ম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশে পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। পরে রাজধানীর মিরপুর অলক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় তার মৃত্যু হয়। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।
মতলব উত্তরের ঠাকুরচর এলাকার বাসিন্দা ফাতেমা আক্তারের বাবার নাম সুরুজ মোল্লা এবং স্বামী ডি. এম. সোলেমান। মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান শিক্ষক নেতারা ও সহকর্মীরা। এর আগে তিনি দক্ষিণ ব্যাসদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। অত্যন্ত মেধাবী ও দায়িত্বশীল শিক্ষিকা হিসেবে পরিচিত এই নারী শিক্ষক ইডেন মহিলা কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।এলাকার শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত দায়িত্বশীল, কোমলমনা ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক খাইরুন নাহার লিপি ও মো. আবুল কাসেম জানান, ফাতেমা আক্তারের স্বামী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্দোলনস্থলে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর থেকেই তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এরপর কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ তিনি মারা যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা। ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামসুদ্দিন মাসুদ লিখেছেন— “১০ম গ্রেড আন্দোলনের এক সাহসী যোদ্ধাকে হারালাম। মতলব উত্তরের গর্ব ফাতেমা আক্তার আমাদের ছেড়ে গেলেন।”
অন্যদিকে খাইরুন নাহার লিপি নিজের পোস্টে লেখেন— “ফাতেমা আপা শহীদ মিনারের আন্দোলনে ছিলেন। সাউন্ড গ্রেনেডের পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এ মৃত্যুর বিচার চাই। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিভাজন না করে কালো ব্যাজ ধারণ করে শোক পালনের আহ্বান জানাই।”
তার মৃত্যুতে মতলব উত্তরসহ চাঁদপুরের শিক্ষা অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একজন মেধাবী, সংগ্রামী ও আদর্শ শিক্ষকের মৃত্যুতে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে চলছে শোক ও ক্ষোভের ঢেউ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital