বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচর দক্ষিণ আলগী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মতবিনিময়ে

এমপি হলে আমার কাছে গিয়ে লাইন ধরতে হবে না : জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী এড. শাহজাহান মিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৩৫ পিএম
এমপি হলে আমার কাছে গিয়ে লাইন ধরতে হবে না : জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী এড. শাহজাহান মিয়া

চাঁদপুর-৩ (সদর–হাইমচর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহাজান মিয়া বলেছেন, আমার স্বপ্ন হচ্ছে আমি আপনাদের হয়ে কাজ করতে চাই। এমপি হলে জুতার তলা ক্ষয় করে আমার পিছনে ঘুরতে হবেনা। আমার কাছে গিয়ে লাইন ধরতে হবেনা। আমি আপনাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে যাব।

বুধবার বিকেলে হাইমচর উপজেলার ৩ নম্বর দক্ষিণ আলগি ইউনিয়নের চরপোড়ামুখী নুরানী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় তিনি আরো বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তিনি ঘুষমুক্ত প্রশাসন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং টেকসই কর্মসংস্থান গড়তে কাজ করবেন। আজ সরকারি দপ্তরে গেলেই ঘুষ দিতে হয়। আমাদের ইসলামী সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণকে ঘুষমুক্ত প্রশাসন উপহার দেব। সরকারি সেবা হবে বিনামূল্যে, মানুষকে আর দালাল-ঘুষের চক্রে পড়তে হবে না।

 এলাকার মানুষের ভোট আস্থা নিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করে তিনি চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবেন। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করা এবং দরিদ্র মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

Model Hospital

শাহাজান মিয়া বলেন, আমার বাড়ি হাইমচরে হলেও  শহরেও আরেকটি বাড়ি আছে। সে কারণে দুই উপজেলাতেই মানুষের সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক। তবে এতটুকু নিশ্চিত করতে পারি ঢাকা কিংবা দেশের বাহিরে আমার কোন বাড়ি নেই এবং ভবিষ্যতেও হবেনা।

 ২০১৪ সালে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমার বড় প্রেরণা। এবারও আপনাদের সন্তান হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চাই।

 ন্যায়–ইনসাফের পক্ষে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তিনি ঘুষমুক্ত প্রশাসন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং টেকসই কর্মসংস্থান গড়তে কাজ করবেন।দাঁড়িয়ে জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। সেখানে সব শ্রেণির মানুষ সমান সরকারি সুবিধা পাবে এবং কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। ৭ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. আবুল হোসাইন, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আবু হানিফ,ইউনিয়ন টিম সদস্য মো. মাইনুদ্দিন, লতিফগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আমির হোসেন, সমাজসেবক মো. আবুল কালাম মিজি।

সভা সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান।

মতবিনিময় শেষে শাহাজান মিয়া হাওলাদার বাজারে ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের নানা সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শোনেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital