শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাহারি ভর্তায় সাড়া ফেলেছে উজানীর ‘তিন ভাই হোটেল এন্ড পিঠা ঘর’

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০৬ পিএম
বাহারি ভর্তায় সাড়া ফেলেছে উজানীর ‘তিন ভাই হোটেল এন্ড পিঠা ঘর’

উজানী দক্ষিণ বাজারে অবস্থিত ‘তিন ভাই হোটেল এন্ড পিঠা ঘর’

শীত মৌসুমের পিঠার দোকানগুলোতে রীতিমতো মেলা বসে পিঠাপ্রেমিদের। বিশেষ করে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত ভিড় লাগে থাকে দোকানে, আর তাই শীত মৌসুমে বিভিন্ন পিঠা বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হন শাহ আলম। তারই ব্যতিক্রম চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার উজানী গ্রামের শাহ আলমের তৈরি ১২১ পদের ভর্তা দিয়ে চাপটি ও চিতই পিঠা খেতে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছুটে আসছেন পিঠা প্রিয় মানুষজন। দেশি স্বাদের ভর্তা, পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী রান্নার সমাহারে দোকানটি ইতোমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে এলাকাবাসীর কাছে, একটি নির্ভরযোগ্য খাবারের জায়গা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার উজানী দক্ষিণ বাজার স্কুল সংলগ্ন অবস্থিত ‘তিন ভাই হোটেল এন্ড পিঠা ঘর’। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে এই ব্যবসার সাথে জড়িত শাহ আলম। প্রথমে আড়াই কেজি চালের গুড়া দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। বাবার সাথে একসময় তিনি এ ব্যবসা করতেন। ছেলে কাজী ইমন পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার সাথে কাজ করেন দোকানে।

বিশেষ করে প্রতি শুক্র ও শনিবার তৈরি হয় ১২১ পদের ভর্তা, অন্যান্য দিনে ৬৬টি পদের ভর্তা। প্রতিটি বাটিতে আলাদা স্বাদ, আলাদা ঘ্রাণ-দেশি রান্নার আসল অনুভূতি। প্রতিদিন ৮টি চুলায় ৫০০ থেকে ৬০০ টিরও বেশি চিতই পিঠা ও ১টি চুলায় ২০০টির বেশি ভাপা পিঠা তৈরি করেন।

প্রতিটি চিতই বিক্রি হয় ১০ টাকা ও ভাপা পিঠা ৫ টাকায়। তবে ডিম ও মসলাসহ স্পেশাল ডিম পিঠা বিক্রি হয় ৩০ টাকায়। ১২১ পদের ভর্তা গুলোর মধ্যে ৪২টি শুঁটকি, ১১টি মাছ, বাদাম, ধনেপাতা, মরিচ, মৌসুমি সবজি ব্যবহার করে বিভিন্ন ভর্তা তৈরি করেন। প্রতিদিন ৩৫ কেজি দুধ দিয়ে মালাই চা, তান্দুরী চা, বিক্রি করেন ও ১২০ কেজি চালের গুড়া দিয়ে তৈরি হয় নানান রকমের পিঠা। তার দোকানে মহিলা ১০জনসহ মোট ১৪জন কারিগর রয়েছে। দৈনিক ১০-১৫ হাজার টাকা বিক্রি করেন, মাসিক ইনকাম ৪০ হাজার টাকা শাহ আলমের।

Model Hospital

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই নিজ হাতে প্রস্তুত করেন নানান স্বাদের খাবার। ঘরোয়া রান্নার স্বাদ, বৈচিত্র্যময় মেন্যু এবং সুলভ দামের জন্য প্রতিদিনই ভিড় থাকে ‘তিন ভাই হোটেল এন্ড পিঠা ঘর’ এ। গ্রামীণ হোটেলের এই উদ্যম ও সৃজনশীলতার উদাহরণ এখন। দেশি রান্নার এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি খাবারের মান ও স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে আমাদের।

উদ্যোক্তা কাজী শাহ আলম বলেন, এখানে শুধু ভর্তাই নয়, পাওয়া যায় হরেক রকমের দেশি পিঠা ও চা। পিঠার ও চায়ের স্বাদ ও নিতে প্রতিদিনই ভিড় জমে ক্রেতাদের। শুধু তাই নয়, ঘরোয়া পরিবেশে মাটির হাঁড়িতে রান্না করা হাঁস, মুরগি, কোয়েল পাখি, খাসি, গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ইলিশসহ নানা রকম আইটেম পরিবেশন করা হয়।

প্রতি শুক্র ও শনিবার বিশেষভাবে ‘খেপসা ও মেজবানী’ পরিবেশন করা হয়, যা খেতে অনেক দূর থেকে আসেন খাদ্যরসিকরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital