রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া কোয়া নূর ই মদিনা জামে মসজিদের ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৩ পিএম
কচুয়া কোয়া নূর ই মদিনা জামে মসজিদের ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

কচুয়া পৌরসভার কোয়া নূর ই মদিনা জামে মসজিদ,হাজী আব্দুল মালেক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার তিনতলা বিশিষ্ট ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করছেন এলাকাবাসী।

‎কচুয়া পৌরসভার কোয়া হাজী বাড়ির নূর ই মদিনা জামে মসজিদ,হাজী আব্দুল মালেক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার তিনতলা বিশিষ্ট ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে মসজিদের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন, মসজিদ ও মাদ্রাসার জমিদাতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মাহবুবুর রহমান লিপনসহ এলাকাবাসী।

এসময় উপজেলা পরিষদের জামে মসজিদের সাবেক ইমাম মোস্তফা আনোয়ারী, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন,বিশিষ্ট সমাজসেবক মিজানুর রহমান,কোয়া খান বাড়ীর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নজরুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন, সমাজসেবক শহিদুল্লাহ মাস্টার, শাহাদাত হোসেন, উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির প্রচার সম্পাদক ইমাম হাসান , সমাজসেবক কবির হোসেন,খোরশেদ আলম, জসিম মিয়াজী, আনিছুর রহমান, কামাল হোসেন,ইমাম হোসাইন, জুলফু মিয়া ,সালাউদ্দিন ও বিল্লাল হোসেন খানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় এলাকাবাসী জানান, “আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ, মেরামত এবং সংস্কারে দান করা মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত আবেগ এবং গৌরবের বিষয়। পৃথিবীজুড়ে লাখো দৃষ্টিনন্দন মসজিদ মুসলিমদের স্বতস্ফূর্ত দানে তৈরি হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা এই মহৎ কাজের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।

Model Hospital

তারা আরো বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাদের সমাজের কৃতি সন্তান মাহবুবুর রহমান লিপন ২১ শতাংশ জায়গা মসজিদ, মাদ্রাসার ও এতিমখানার নামে দান করেছেন। এই এলাকার মানুষ যেন পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারে সেজন্য উনি এখানে জায়গাটি দিয়েছেন।

আমরা মাহবুবুর রহমান লিপন ও তার পরিবারের জন্য সব সময় দোয়া করবো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে এবং মসজিদের উন্নয়নের জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদের জামে মসজিদের সাবেক ইমাম মোস্তফা আনোয়ারী।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।