শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিশিষ্ট আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালামের সৌজন্যে

চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমিতে যুক্ত হলো রবীন্দ্র-রচনাবলি ৩০ খণ্ড

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:১৫ পিএম
চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমিতে যুক্ত হলো রবীন্দ্র-রচনাবলি ৩০ খণ্ড

বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালাম সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর-এর জন্য তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত ৩০ খণ্ড রবীন্দ্র-রচনাবলি প্রদান করেছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) তিনি এ মূল্যবান বই প্রদান করেন।

সাহিত্য একাডেমি-সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৩ হাজার পৃষ্ঠার এ রচনাবলির মূল্য ৩০ হাজার টাকা। একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের অনুরোধে আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালাম বইগুলো সাহিত্য একাডেমির জন্য প্রদান করেন।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যায় একাডেমিতে মহাপরিচালক কাদের পলাশের কাছে এসব গ্রন্থের কপি হস্তান্তর করেন পরিচালক (গবেষণা) মুহাম্মদ ফরিদ হাসান। এসময় সহ-সভাপতি আবদুল্লাহিল কাফী, পরিচালক (সাহিত্য ও প্রকাশনা) মাইনুল ইসলাম মানিক, পরিচালক (গ্রন্থাগার, সেমিনার ও শিশুসাহিত্য) আশিক বিন রহিম, সাধারণ সদস্য মুহাম্মদ হানিফ, আরিফুল ইসলাম শান্ত, ইমরান শাকির ইমরু উপস্থিত ছিলেন।

সাহিত্য একাডেমির পরিচালক (গবেষণা) মুহাম্মদ ফরিদ হাসান জানান, বিশিষ্ট আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালামের প্রদত্ত গ্রন্থগুলো একাডেমি লাইব্রেরিতে রাখা হবে। এতে পাঠক, লেখক ও গবেষকরা উপকৃত হবেন।

Model Hospital

সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক কাদের পলাশ জানান, আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালামকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা চাই, সাহিত্য নিয়ে পঠ-পাঠন. চর্চা ও গবেষণা বৃদ্ধি হোক। এ বইগুলো একাডেমির পাঠাগারকে সমৃদ্ধ করেছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।