বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নিরাপত্তাহীন হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদাম: নজরদারির ১৬ ক্যামেরাই নিষ্ক্রিয়

মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৭ পিএম
নিরাপত্তাহীন হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদাম: নজরদারির ১৬ ক্যামেরাই নিষ্ক্রিয়

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামের সবগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকায় কেপিআই (Key Point Installation) এলাকায় মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই খাদ্য সংরক্ষণ কেন্দ্রকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

সরকারি খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা গেছে-গুদামের ভেতরে ও আশপাশে স্থাপিত মোট ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা কয়েক মাস ধরে সম্পূর্ণ অকেজো অবস্থায় রয়েছে। ফলে খাদ্যশস্যের মজুত, পণ্য ওঠানামা ও সার্বিক কার্যক্রম কার্যকর নজরদারির বাইরে রয়েছে।

রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে সরকারি খাদ্য গুদামকে কেপিআই ঘোষণা করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এমন এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি, সচল সিসিটিভি ক্যামেরা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে এর কোনোটি কার্যকর নেই। এতে করে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ-কেপিআই এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা অচল থাকা শুধু চরম অবহেলাই নয়, বরং চুরি, অনিয়ম কিংবা যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

Model Hospital

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গুদাম শ্রমিক বলেন-ক্যামেরা ঠিক থাকলে সবকিছু রেকর্ডে থাকত। এখন কিছু হলে প্রমাণ পাওয়া কঠিন।

অপরদিকে,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা মনে করেন-সরকারি খাদ্য গুদামের মতো কেপিআই এলাকায় কার্যকর সিসিটিভি ব্যবস্থা থাকলে অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হতো এবং দুর্ঘটনা বা অপরাধ ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যেত।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির বলেন-আমি কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। এসে দেখি সব সিসিটিভি ক্যামেরাই নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সবগুলোই অচল।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ফারজানা মিলি জানান-বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সিসিটিভি ক্যামেরা মেরামত ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন-সরকারি খাদ্য গুদাম একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সেখানকার নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নষ্ট সিসিটিভি ক্যামেরা মেরামত ও প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন আধুনিক ক্যামেরা স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কেপিআই এলাকায় কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা ছাড়া সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন, বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital