বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

১৭ মাসে দেশে দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ হাজার ৪০৯

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
১৭ মাসে দেশে দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ হাজার ৪০৯

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে দেশে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথে সংঘটিত দুর্ঘটনায় ১৩ হাজার ৪০৯ জন নিহত হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে শুধু সড়কপথেই প্রাণহানির সংখ্যা ১২ হাজার ৬৯৪ জন।

সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানা মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত প্রতিবেদন পাঠ ও সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সড়কে চরম নৈরাজ্য, আইন না মেনে যান চলাচল এবং অপরিকল্পিত পরিবহনব্যবস্থার কারণে ৫৭ হাজার ৭৯৬টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৫৮ হাজার ৪৯১ জন আহত হয়। এই সময়ে সড়কে নেমেছে প্রায় ২ লাখ মোটরসাইকেল এবং ৫ লাখের বেশি অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মোটরসাইকেল ও অবৈধ যান বড় ঝুঁকি

Model Hospital

ঢাকাসহ সারা দেশে ১৩ হাজার ৮২৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২ হাজার ৬৩৮ জন, আহত ১৩ হাজার ৮৩২ জন।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, করিমন ও পিকআপসহ উল্টোপথের যানবাহনে ২১ হাজার ৬৩১টি দুর্ঘটনায় নিহত ৩ হাজার ৬৪৮ জন, আহত ২৩ হাজার ৬০৩ জন।
বাস ও ভারী যানেও প্রাণহানি

প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্ধারিত গতিসীমা অমান্য, বিশ্রাম ছাড়া টানা ১২ থেকে ২০ ঘণ্টা গাড়ি চালানো এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে ১২ হাজার ৭৪৬টি বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩ হাজার ৭৮৪ জন, আহত ১১ হাজার ৬৯৭ জন। ট্রাক ও লরিসহ ভারী যানবাহনে ৮ হাজার ৯৬৮টি দুর্ঘটনায় নিহত ২ হাজার ৬২৪ জন, আহত ৯ হাজার ৩৫৯ জন। এদের বড় অংশই পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দা।

রেল, নৌ ও আকাশপথের চিত্র

১৭ মাসে, নৌপথে ২ হাজার ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৮৭ জন, আহত ১ হাজার ৭৫৪ জন, নিখোঁজ ৪৬ জন। রেলপথে ১ হাজার ১০৬টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৯২ জন, আহত ১ হাজার ৭৬ জন।

আকাশপথে একটি দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জন, আহত ১৭২ জন। এ ছাড়া বিমানবন্দরে কর্মরতদের দ্বারা হয়রানির শিকার হয়েছেন ১৭ জন।

সেভ দ্য রোড জানায়, সড়কে ৪১১টি ডাকাতির ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৫৭ জন, নিহত ২ জন।

এ ছাড়া ১৭ মাসে, নারী শ্লীলতাহানির ঘটনা ৮২৫টি, ধর্ষণের ঘটনা ১৫টি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ১৭ হাজার ৪১২টির বেশি। নৌপথে দায়িত্বে অবহেলার সুযোগে ২১৬টি ডাকাতির ঘটনায় আহত ১৮৮ জন ও নিহত একজন।
সেভ দ্য রোড সংগঠনটি নতুন দাবি না তুলে দীর্ঘদিনের ৭ দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুর্ঘটনামুক্ত পথ দিবস ঘোষণা, পাঠ্যবইয়ে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথে চলাচলের নিয়ম অন্তর্ভুক্ত, তিন কিলোমিটার অন্তর পুলিশ বুথ স্থাপন, দুর্ঘটনায় নিহতদের ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ, ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন এবং ফিটনেসবিহীন যান নিষিদ্ধ।

সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী এবং মহাসচিব শান্তা ফারজানাসহ গবেষণা সেলের তত্ত্বাবধানে ১৭টি জাতীয় দৈনিক, ২০টি টিভি চ্যানেল ও ২২টি নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital