বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে প্রতীক নিয়ে মুখোমুখি ৮ প্রার্থী, লড়াই হবে ত্রিমুখী

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০২ পিএম
ফরিদগঞ্জে প্রতীক নিয়ে মুখোমুখি ৮ প্রার্থী, লড়াই হবে ত্রিমুখী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা শেষে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ৮ জন প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী লড়াই। তবে এ আসনে ৮ প্রার্থী নির্বাচন করলেও নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন ভোটাররা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুল হাসান সরকার প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ প্রতীক তুলে দেন।
ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত এই সংসদীয় আসনের চাঁদপুর -৪ ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. হান্নান (চিংড়ি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুকবুল হোসাইন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদ আলম (লাঙ্গল), গণফোরামের প্রার্থী মুনির চৌধুরী (উদীয়মান সূর্য), ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল (মোমবাতি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন (ফুটবল)।
একটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১১৮টি। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬’শ ৩১ জন। ভোটারদের মধ্যে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন অফিস।
রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে ৪ জন প্রার্থী বাদ পড়েন। ফলে চূড়ান্তভাবে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন।
প্রতীক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুল হাসান সরকার বলেন, “আমরা একটি নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে সবাইকে প্রচার ও প্রচারণা চালানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও ভোটারদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীদের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন স্থানে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে মিছিল ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ফরিদগঞ্জের রাজপথ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।