শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে পুলিশের চৌকস সদস্যদের সম্মানে ‘গ্র্যান্ড স্যালুট টু পুলিশ ফোর্স’

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৬ পিএম
চাঁদপুরে পুলিশের চৌকস সদস্যদের সম্মানে ‘গ্র্যান্ড স্যালুট টু পুলিশ ফোর্স’

চাঁদপুর জেলা পুলিশের চৌকস সদস্যদের সম্মানে ব্যতিক্রমধর্মী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। চাঁদপুরের সুনামধন্য নৃত্য সংগঠন সপ্তরূপা নৃত্য শিক্ষালয়ের আয়োজনে এই সংবর্ধনার শিরোনাম ছিল ‘গ্র্যান্ড স্যালুট টু পুলিশ ফোর্স’। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান ও নাদীরা নুর। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক রোটাঃ কাজী শাহাদাত।

সপ্তরূপা নৃত্যশিক্ষালয়ের সভাপতি হারুন অর রশিদ জাকির বন্দুকশীর সভাপতিত্বে এবং সহ-নৃত্য পরিচালক প্রান্তসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর রূপালীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন টিটু, নারী সমাজসেবিকা মাহমুদা খানম, নাঈমা মোশারফ ও সেলিনা রহমান লিপিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ সুপার রবিউল হাসান বলেন, আমি প্রায় ২০ বছর ধরে পুলিশে চাকরি করছি। কখনো ভাবিনি কোনো নৃত্য সংগঠন আমাদের পুলিশকে এভাবে সংবর্ধনা দেবে। বাংলাদেশের কোনো সরকার বা সমাজ এভাবে পুলিশের পরিশ্রম ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেনি।

Model Hospital

তিনি বলেন,পুলিশের কর্মঘাম ও পরিশ্রম অনেক সময়ই মানুষের চোখে পড়ে না। কিন্তু আজ আপনারা যে সম্মান দেখালেন, তাতে বোঝা গেল পুলিশদেরও কেউ ভালোবাসে। আপনারা আমাদের ভালোবাসার বন্ধনে বেঁধে দিয়েছেন। এই সম্মান আমাদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা যদি মানুষের মনের কথা আন্তরিকভাবে শুনতে পারি, তাহলে সাধারণ মানুষ পুলিশের প্রতি আরও বেশি আস্থা ও গুরুত্ব দেবে। অনেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেন, কিন্তু পুলিশের ভেতরে অসংখ্য সৎ ও নিষ্ঠাবান সদস্য রয়েছেন, যারা নীরবে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে জেলার সাত উপজেলার সাতজন এবং ট্রাফিক বিভাগের একজন চৌকস ও ন্যায়পরায়ণ কনস্টেবলকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, সদর মডেল থানা কর্মরত ৭৮৪ মো. মহসিন ভূইয়া, হাইমচর থানা কর্মরত ৭৬৩ সঞ্জয় কুমার কির্তনীয়া, ফরিদগঞ্জ থানা কর্মরত ৪৫০ মো. নাহির হোসেন আখন্দ, মতলব দক্ষিণ থানা কর্মরত ১৯৪ মো. জোয়াহেব আলী, মতলব উত্তর থানায় কর্মরত ২৪৬ মো. মাঈনুল আলম, হাজীগঞ্জ থানায় কর্মরত ৭৫৭ নুর মোহাম্মদ, কচুয়া থানায় কর্মরত ৪২৭ মো. আবু তাহের, ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ১৩২ মো. হেলাল হোসেন।

তাদের সততা, দায়িত্বনিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি চাঁদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উপস্থিত অতিথিদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital