শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি ঘুরে গেলেন বিসিবি পরিচালক ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
শাহরাস্তি ঘুরে গেলেন বিসিবি পরিচালক ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, ভারত যদি একজন মুস্তাফিজের মত সিঙ্গেল খেলোয়ারকে নিরাপত্তা দিতে অপারগ থাকে, তাহলে সেখানে সাংবাদিক, খেলোয়াড়, অফিসিয়াল কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ দর্শকদেরকে তারা কিভাবে নিরাপত্তা দিবে। তাই নিরাপত্তা সংশয়ের কারণে আমরা ক্রিকেটটা বর্জন করেছি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সুচিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগ (এসপিএল) সিজন-৩ এর সেমিফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের আয়োজক সাদ্দাম হোসেন মিঠু যে কাজটি করেছে আমি মনে করি এসব ক্রিকেটার একজন রবিনহুড। আমি সাদ্দাম হোসেন মিঠুকে সেন্ট্রালি চাই, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য। বিসিবির পক্ষে সে বিশাল কিছু করতে পারবে। তার এই সাংগঠনিক দক্ষতা আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের লাগবে। আজকের এই সুন্দর সুশৃংখল আয়োজনের জন্য সে প্রশংসার দাবিদার।
আসিফ আকবর বলেন, আমরা আমাদের দেশের সম্মানের পাশাপাশি আমরা চাইবো খেলোয়ার, সাংবাদিক, দর্শক ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বাংলাদেশের সরকার ও ভারতের সরকার কিছু বলবে। আইসিসি, বিসিবি, বিসিসিআই কোন রাষ্ট্র নয়, এটি একটি শাসিত সংস্থা।
তারা ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদ। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা গভর্ণমেন্টকে জানিয়েছি, পরবর্তী ব্যবস্থা গভর্ণমেন্ট নিয়েছে। আমরা মনে করি যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড খেলতে না যাওয়ার বিষয়টি সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুতরাং আইসিসি আমাদের বের করার সুযোগ হয়নি, আমরা যাইনি নিরাপত্তার অজুহাতে। আর সবার আগে বাংলাদেশ, আমাদের আত্মমর্যাদাময় জাতি হিসেবে আমাদের প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। গত ৫৩ বছর যে আমরা আরেকজনের উপর ভরসা করে ও থ্রেট এর উপরে চলেছি, সেটার দিন এখন শেষ। এখন নতুন বাংলাদেশ। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কাদের সাথে কিভাবে চলবে, আমরা সেই পক্ষে আছি।
এদিকে আসিফ আকবরের আগমনের খবরে মাঠে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। খেলা দেখতে এসে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পরিচালক। দর্শকদের অনুরোধে আসিফ আকবর খালি গলায় জনপ্রিয় গান “বেশ বেশ বেশ সাবাস বাংলাদেশ” পরিবেশন করেন। পরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈনুল ইসলাম কাজল, আয়োজক কমিটির সদস্য ও সূচিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, প্রবাসী ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম বিলাস, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আজগর হোসেন মিয়াজীসহ আরও অনেকে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital