রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ার মানুষের মধ্যে কোন ভেদাভেদ এবং প্রতিহিংসা রাজনীতি থাকবে না-ড. এহছানুল হক মিলন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম
কচুয়ার মানুষের মধ্যে কোন ভেদাভেদ এবং প্রতিহিংসা রাজনীতি থাকবে না-ড. এহছানুল হক মিলন

কচুয়ায় কাদলা ইউনিয়ন নির্বাচনী উঠোন বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন, বিএনপির মনোনীত ধানের শীর্ষের প্রতীকের প্রার্থী ড.আনম এহছানুল হক মিলন।

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীর্ষের প্রতীকের প্রার্থী ড.আনম এহছানুল হক মিলন বলেছেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা,উন্নয়নের পরীক্ষিত দল,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শিক্ষা,নারী উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মেয়েদের উপবৃত্তির ব্যবস্থা করছিলেন, আজকে স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা গিয়ে দেখেন ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা সংখ্যা বেশি।

আমার মেয়ে ও আপনাদের মেয়েকে রাস্তা ঘাটে, পাড়া মহল্লায় আর কেউ ইভটিজিং করতে পারবে না। কচুয়ায় মাদক ও চাঁদাবাজ থাকবে না, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত কচুয়া হবে। আগামী দিনে দেশ নায়ক তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবে, এবং দেশ পরিচালনা করবে।

তারেক রহমান এই দেশের মানুষের জন্য প্রতিনিয়ত চিন্তা করে থাকেন। তারেক রহমান আমাদের দেশ থেকে তরুণদেরকে টেকনিক্যাল,ট্রেনিং সেন্টারে কারিগরি শিক্ষা দিয়ে প্রবাসে পাঠানোর জন্য পরিকল্পনা নিয়েছেন । আমাদের দেশে আর বেকার থাকবে না, সকলেই কর্মসংস্থান মুখে হবে। ‌ বাংলাদেশে আগামী এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করবে তারেক রহমান।

Model Hospital

আপনাদের আনম এহছানুল হক মিলন বাংলাদেশে নকল মুক্ত করেছে, বিগত দিনের সরকারে শিক্ষার পরিবেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই বার দেখবেন আপনাদের মিলন সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও আবারো শিক্ষাখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করবে। প্রত্যেকটি ঘরে ছেলে মেয়েরা শিক্ষিত হবে,মাদক, সন্ত্রাস পালিয়ে যাবে। ১৯৯৬ সালে আমাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছেন।

২০০১ সালে দ্বিতীয়বার আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপনাদেরকে উপহার হিসেবে আমাকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি মিলন সারা বাংলাদেশে কাজ করেছি, এবং আপনাদের সুনাম অর্জন ধরে রেখেছি।

আমি আপনাদের সাথে আছি এবং সাথে থাকবো। মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত আগামীতে সুন্দর একটি কচুয়া গড়াবো। কচুয়া মানুষের মধ্যে কোন ভেদাভেদ থাকবে না এবং কোন প্রতিহিংসা রাজনীতি থাকবে না। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কচুয়ার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ করবো।

তিনি আরো বলেন, একদল টুপি পড়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। এদের থেকে আপনারা দূরে থাকবেন, এরা দুনিয়াতে বেদাতের কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৭১ সালে আমাদের মা-বোনদের অত্যাচার ও সাধারণ মানুষদেরকে নির্মাণভাবে যারা হত্যা করেছেন তাদেরই সহযোগী ছিলেন এরা। এরা স্বাধীনতার বিপক্ষের লোক, এরা মানুষের ভালো কিছু চায়না।

এরা নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একটি গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আপনারা সকলে প্রতিটি জায়গার থেকে সজাগ থাকবেন, অন্যায়কারীদের কে প্রতিরোধ করবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা মা-বোনরা নামাজ পড়ে আপনারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

তিনি বুধবার দিনব্যাপী উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের দেবীপুর,কাপিলাবাড়ি, মনপুরা দক্ষিণ পাড়া ও উত্তর-পশ্চিম পাড়া,দোঘর চৌধুরী বাড়ি,শাসনখোলা ও চৌমুহনী বাজারে উঠান বৈঠকে উপরোক্ত কথা বলেন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের সদস্য সচিব ও কচুয়ার কৃতি সন্তান এডভোকেট আবুল হোসেন, পৌর সাবেক মেয়র হুমায়ুন কবির প্রধান, উপজেলা বিএনপি’র প্রধান সমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান জালাল,উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের নির্বাচিত সাবেক ভিপি নূর মোহাম্মদ কচি, উপজেলা বিএনপি’র নেতা জান্নাতুল আলম আলমগীর,

উপজেলা বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক বিএম কাউছার হোসেন,কাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ এবায়েদ তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন মজুমদার মানিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা সফিকুল ইসলাম স্বপন পাঠান, বিএনপি নেতা আখের মজুমদার, কিবরিয়া আহমেদ,উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কাজী হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক তপাদার, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাহার আহমেদ মজুমদার,আইন বিষয়ক সম্পাদক প্রমুখ।

এসময় ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ এমরান হাজী, রফিকুল ইসলাম,ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ সোহেল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কালিমুল্লাহ, উপজেলা জাতীয়তাবাদী প্রবাস ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন মুন্সি, প্রবাসী ফোরাম ও যুব দলের নেতা জহির হাজী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলামসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।