রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

যারা চাঁদা নিয়ে দল চালায় দেশের জনগণের জন্য কি করবে তারা? : আবু নছর আশরাফি

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ পিএম
যারা চাঁদা নিয়ে দল চালায় দেশের জনগণের জন্য কি করবে তারা? : আবু নছর আশরাফি

কচুয়ার পিপরকরা গ্রামে পথসভায় বক্তব্য রাখছেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ পথসভায় সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

পথসভায় অংশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ভোটারদের কাছে দাঁড়িপাল্লা ভোট চেয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ।

শুক্রবার দিনব্যাপী আশ্রাফপুর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর মধ্যপাড়া, পনশাহি, মাসনিগাছা, উত্তর আশ্রাফপুর , দক্ষিণ আশ্রাফপুর, চাঙ্গিনী, পিপলকরা, জনগতপুর, সানন্দকরা, খাজুরিয়া গ্রাম সহ ওই ইউনিয়নের ১৫টি পয়েন্টে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সাথে মতবিনিমিয় করেন তিনি।

এসময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তির কথা শুনেন ভোটারদের কাছ থেকে। পিপলকরা গ্রামে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য প্রদান কালে তিনি বলেন, “আমিতো এমপি ছিলাম না, আমাকে একবার ভোট দিয়ে পরীক্ষা করে সুযোগ দিন, আপনাদের জানমালের নিরাপত্তা এমনকি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকেরা এই কচুয়ায় মুসলমানদের সাথে নিরাপদে থাকবে। কচুয়ার সাড়ে ৪ লাখ লোকই আমার।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, যারা চাঁদা নিয়ে দল চালায় দেশের জনগণের জন্য কি করবে তারা ? এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ লাগবে সড়কের সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে দুর্ভোগের শিকার এসব সড়ক ও উন্নয়ন কাজ দুর্নীতি ছাড়াই ছাড়াই সম্পাদন করা হবে। এখানে অন্য সরকারের সময়ে উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপক অনিয়ম লক্ষ্য করে গেছে। কচুয়ার এই আসন জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লায় মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।

জামায়াত ইসলামের প্রার্থী, দল আপনাদের স্বপনের কচুয়া উপহার দিবে। ১২ তারিখ সারাদিন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। দাঁড়িপাল্লা ভোট দিলে কচুয়ার জনগনের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে।

এসময় বাংলাদেশ ছাত্র শিবির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি রেজাউল করিম শাকিল, কুমিল্লা মহানগর জামায়াত ইসলামের মজলিসের সূরার সদস্য অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, মোবাইল জামায়েত ইসলামীর সাবেক সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম বর্তমান সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান আজাদ, সেক্রেটারি মোঃ ফরিদ আহমেদ, ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলম তুমি ইয়া করো আমি সেনা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ সহ সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও ভোটারগণ উপস্থিত ছিলেন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।