রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেন চাঁদপুর-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

শনিবার (৭ জানুয়ারী) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে অংশ নেন।

উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, আমি আপনাদের প্রতিবেশী। প্রতিবেশী ও সন্তানের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। ভোটের জন্য এই এলাকার ছেলেরা ১৭ বছর মাঠে ছিল। আন্দোলনের সময় এই এলাকা খুব ভালো অবস্থানে ছিল। তার মানে এই এলাকা ধানের শীষের ঘাঁটি। আগামী এক বছরের মধ্যে দেখবেন এই ইউনিয়ন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। তার জন্য ৭৮ একর জায়গা একওয়ার করা হয়েছে। শহরের মতো এই জায়গাটা ও একটু শহর হবে। এ ইউনিয়নে ২৬ হাজার ভোটার। আগামী বছরে এলাকায় ইউনিভার্সিটি হলে ভোটার হবে এক লাখ।

তিনি আরো বলেন, আমি আছি আপনাদের সাথে, ছাইরা যামু না। এখানে আমার বসবাসের জায়গা রয়েছে। এই এলাকায় আসবো ও যাব। এই এলাকা ধানের শীষের ঘাঁটি। এই এলাকা আলু ও সবজি চাষ হয় বেশি। তরুণ-তরুণীদের চাকরির জন্য চিন্তাভাবনা করতে হবে না। এই এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় হলে আমরা হাওলাত করে কাউকে এনে চাকরি দিব না। এ ইউনিয়নের লোকজনই বিশবিদ্যালয়ে চাকরি করবে। আমরা চাই এই এলাকা থেকে ৭০ থেকে ৮০% লোক যেন ভোট দিতে যায়। যারা ভোট দিতে যাবে তাদেরকে আপনারা সহযোগিতা করবেন।

Model Hospital

শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল মিজির পরিচালনায় বিভিন্ন উঠান বৈঠক বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি শাহজালাল মিশন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. জসিম মেহেদী, জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাসেল, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন, এলাকাবাসী আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কবির হোসেন রনি, ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সার্ভেয়ার আব্দুল হামিদ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গাজী নূর আলম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আশেক এলাহী প্রমুখ।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।