কচুয়ায় ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
অনাকাঙ্ক্ষিত বড় কোন ঘটনা ছাড়াই শেষ হল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এ নির্বাচনে চাঁদপুর -১ কচুয়া আসনে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

একজন প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও জামানত হারিয়েছেন ৪ জন। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১হাজার ভোটও পাননি।

একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি এই আসনে অংশ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬শ ২৬। আর গণফোরাম এই আসনে পেয়েছেন ৩শ ২৬ ভোট ও নতুন আলোচিত দল গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) এই আসনে পেয়েছেন ২শত ২৬ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪হাজার ২শ ৪৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে মতে, সংসদ নির্বাচনের নিয়মানুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭শ ৪২ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন করেছেন ২ লাখ ৯হাজার ৭৫ জন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়ার শতকরা হার ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে পোষ্টাল ভোট ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ হাজার ৭শত ৩ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৮৭ ভোট।

কচুয়াতে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হলো তারা হলেন, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মোঃ নাছির উদ্দিন, গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, জাতীয় পার্টি হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদ মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।
প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী এই আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩ শত ২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭শত ৮১ ভোট। ৬৪ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ড. এহছানুল হক মিলন।






