কচুয়া দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে পাকাকরন
কচুয়া দূর্গাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠের পাকাকরণ কাজ উদ্বোধন করছেন এলাকাবাসী।
কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বহু বছরের পুরানো কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ ময়দানের মাঠ সংস্করণ ও পাকাকরণের কাজ করেছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার প্রবাসী ও এলাকার লোকজনের অর্থায়নে ঈদগাঁহ মাঠটি আরসিসি ডালায় দিয়ে পাকাকরণের কাজ শুরু করেন। এলাকাবাসীর র্দীঘদিনের স্বপ্ন পূরন হওয়ায় স্বস্তি ও আনন্দ উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে।

এ সময় ঈদগাঁহ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান পাঠান,সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান মাস্টার,সহ-সভাপতি মোঃ আবু তাহের, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, সাবেক ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন মেম্বার ,ঈদগাহ কমিটির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলাল ,সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামান কামরুল,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাছির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন ,কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম গাজী,সহ ক্যাশিয়ার সম্পাদক কেরামত আলী,প্রচার সম্পাদক সাদেক প্রধান, আপ্যায়ন সম্পাদক রঈশ উদ্দিন প্রধান,শৃঙ্খলা সম্পাদক সাখাওয়াত প্রধান,উপদেষ্টা রুহুল আমিন চৌধুরী ,জাকির হোসেন গাজী ব্যাংকার ,ইঞ্জিনিয়ার মালেক,রহমান মেম্বার ,শহিদ প্রধান ,সামাদ পাঠান ,সম্মানিত সদস্য মিজান ভূইয়া, আশ্বাদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রতি বছরে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজের দিন দূর্গাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে ধুলাবালুর উপর ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। প্রবাসী ও গ্রামবাসীদের অর্থায়নে ঈদগাঁহ মাঠটি পাকাকরন কাজটি শুরু করেছি। আমাদের র্দীঘদিনের স্বপ্ন আজ পূরন হয়েছে। গ্রামবাসীর সকলের সহযোগিতা নিয়ে ঈদগাঁহ ও পারিবারিক একটি কবরস্থান করতে পেরেছি। যারা এই উন্নয়ন কাজে অর্থ ও শ্রম দিয়ে সহযোগীতা করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ জানাই।

তারা আরো বলেন, আমরা দুর্গাপুর গ্রামবাসী সব সময় ঐক্যবদ্ধ। আমরা সকলে একসঙ্গে গ্রামের যতগুলা সামাজিক, ধর্মীয় ও উন্নয়নমূলক কাজ করি।





