বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রমজান মাসে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে ইসলামী ফ্রন্টের স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
রমজান মাসে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে ইসলামী ফ্রন্টের স্মারকলিপি

রমজান মাসে রাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসক এবং বাখরাবাদ গ্যাস চাঁদপুর-এর ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি দিচ্ছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ। জেলা প্রশাসকের স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রাণী চাকমা।

পবিত্র মাহে রমজান শুরুর প্রাক্কালে রমজান মাসে রাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। এই দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি সংগঠনের পক্ষ থেকে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক এবং বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ চাঁদপুরকে দেয়া হয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়- ‘সম্প্রতি বেশ কয়েকমাস যাবত চাঁদপুরে রাত সাড়ে দশটার পর গ্যাস থাকে না। পরদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত বাসা-বাড়ি এবং হোটেলে গ্যাস বন্ধ থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।

রমজানে সেহরির বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেহরি খেয়ে রোজাদাররা রোজা রাখেন। কিন্তু দেখা গেছে যে, রাতে যদি গ্যাস না থাকে তাহলে সেহরির খাবার রান্না করা যাবে না, তৈরি করে রাখা খাবার গরম করতেও পারবে না। এতে রোজাদারদের রোজা রাখতে অনেক কষ্ট হবে। রোজাদাররা বিপাকে পড়বেন। তাই আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি রমজান মাসে রাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য। গ্যাস যদি বন্ধ রাখতেই হয়, তাহলে ফজরের সময় থেকে সকাল ৭টা/৮টা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে পারে। রোজাদারদের সুবিধার্থে রাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে।’

এমন বক্তব্য সম্বলিত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসক এবং বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ চাঁদপুরকে দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক চাঁদপুরে না থাকায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রাণী চাকমা স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। আর বাখরাবাদ গ্যাস চাঁদপুর-এর ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী মীর ফজলে রাব্বীর কাছে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এই কর্মকর্তাদ্বয় আশ্বস্ত করেন জনগুরুত্বপূর্ণ এবং ধর্মীয় এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। বিশেষ করে বাখরাবাদ গ্যাস চাঁদপুরের ম্যানেজার বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, একটা কিছু হবে।

Model Hospital

স্মারকলিপি প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা মাওলানা খাজা জোবায়ের, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাসুদ আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হাসান বাবু, সদর উপজেলার সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জায়েদ হোসেন প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital