শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছনার তদন্তে গিয়ে উল্টো অপদস্থ তদন্ত কর্মকর্তা!

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছনার তদন্তে গিয়ে উল্টো অপদস্থ তদন্ত কর্মকর্তা!
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে অপদস্থ হয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গত ৩ মার্চ কলেজটিতে যান দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার ফরিদগঞ্জ উপজেলা সংবাদদাতা শাকিল হাসান এবং মোহনা টেলিভিশনের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মো. ফাহাদ।
সাংবাদিকদের দাবি, সংবাদ সংগ্রহের সময় কলেজের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া সাংবাদিক শাকিল হাসানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন এবং পরে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন।
ঘটনার বিষয়ে কলেজের সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়ার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামালকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা প্রথমে ৯ মার্চ তদন্তের দিন নির্ধারণ করেন। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই সেদিন তদন্তে উপস্থিত হননি। পরে ১২ মার্চ পুনরায় তদন্তের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
নির্ধারিত সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারী উপস্থিত থাকলেও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে গেলে কলেজের স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া আপত্তি তোলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, “ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডিসি পদমর্যাদার অধিকারী। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে সমমর্যাদার কর্মকর্তার প্রয়োজন।”
এ সময় তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে গেলে তিনি মানহানি মামলার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হলে তিনি কলেজের প্যাডে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য লিখে দিয়ে তদন্তে অংশগ্রহণ না করেই স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, “তদন্তকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে আমি বিষয়টি জেনেছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে তিনি তদন্ত করার এখতিয়ার রাখেন। যেহেতু অভিযুক্ত ব্যক্তি তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন, বিষয়টি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital