বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে চাঁদপুর পৌরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই : মোশাররফ হোসাইন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে চাঁদপুর পৌরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই : মোশাররফ হোসাইন

চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসাইন বলেছেন, নির্লোভ চিন্তা ও উদ্দেশ্য-লক্ষ্য ঠিক থাকলে চাঁদপুর পৌরসভাকে সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং দৃষ্টিনন্দন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, পৌরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করার। চাঁদপুর পৌরসভাকে সত্যিকার অর্থে একটি জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আসন্ন চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে আমি মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই। এজন্য সকলের কাছে দোয়া এবং সমর্থন কামনা করছি।

১৩ মার্চ শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের উত্তর শ্রীরামদী নিশি রোডস্থ হাওলাদার জামে মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে মসজিদের মুসল্লী, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী (হাফেজ) এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

হাওলাদার জামে মসজিদ, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসাইন আরো বলেন, লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ঠিক রেখে সঠিকভাবে পরিশ্রম করলে, যে কোন কাজে সফল হওয়া সম্ভব। মানুষের দোয়া এবং ভালোবাসায় আমি পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে অনেক কিছু অর্জন করেছি, তার জন্য মহান আল্লাহ দরবারে লাখো শুকরিয়া।

Model Hospital

এবার সময় এসেছে আরো বৃহৎ পরিসরে আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার। মহান আল্লাহ যদি আমাকে পৌরসভার মেয়র হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন তবে কথা দিলাম, আপনাদের আমানতের খেয়ানত হবে না। আপনাদের সম্মান রক্ষার্থে সর্বোচ্চ উজার করে চাঁদপুর পৌরবাসীর একজন সেবক হিসেবে কাজ করব।

চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস এবং সাবেক ছাত্রনেতা মোশারফ হোসাইন বলেন, চাঁদপুর ৩ আসনের মাননীয় সাংসদ এবং আমাদের জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই চাঁদপুর পৌরসভাকে একটি পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন।

আমিও তার রাজনীতির সহকর্মী হিসেবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে একজন সারথি হতে চাই। আমি সুযোগ পেলে পৌরসভার প্রতিটি এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেব। এলাকার গরিব-অসহায়, শ্রমজীবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করবো। অতীতে যেমন আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাল্লাহ।

অনুষ্ঠানে চাঁদপুর পৌরবাসীর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আশেক এলাহী।

এ সময় মসজিদ-মাদ্রাসা কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লী, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী- কোরআনের হাফেজ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের রোজাদার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital