রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন 

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন 
শাহরাস্তি উপজেলায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, শাহরাস্তি উপজেলা কমান্ডের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র মাহে রমজানের ২৭তম দিনে (১৭ মার্চ) ২০২৬ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের নিজস্ব  কার্যালয়ের  মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা ও শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন সেলিম, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল গনি, শাহরাস্তি পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল হাসান বাবলু এবং বিএনপি নেতা এহসানুল হক হৃদয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার পাটোয়ারী।
এছাড়াও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, শাহরাস্তি উপজেলা অনুমোদিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কমিটির আহ্বায়ক আবু তৈয়ব মোঃ সেলিমের নেতৃত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ শাহ আলম, হাছান মাহমুদ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ আবুল হোসেন ও মোঃ রুহুল কুদ্দুস ভূঁইয়া। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মোঃ সাইফুল ইসলাম মানিক এবং যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ সালাহ উদ্দিন।
সম্মানিত সদস্যদরা হলেন—মোঃ নূরে আলম, ওমর ফারুক পাটোয়ারী, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ শরিফুল হাছান, মোঃ সহিদ কাঞ্চন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, মোঃ সাহাদাত হোসেন ও মোঃ এবাদুল হক।
ইফতারের পূর্বে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও  সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা শেষে উপস্থিত অতিথি, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের অংশগ্রহণে ইফতার সম্পন্ন হয়।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।