বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে স্বামীর ২য় বিয়েতে হাজির প্রথম স্ত্রী, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৭

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে স্বামীর ২য় বিয়েতে হাজির প্রথম স্ত্রী, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৭
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরমথুরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম গাজীর ছেলে মহিম উদ্দিন রুবেলের সঙ্গে দক্ষিণ চরবড়ালি গ্রামের আবদুস ছোবহানের মেয়ে রিমা আক্তারের ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর রুবেল প্রবাসে চলে যান। কয়েক মাস আগে দেশে ফিরে এসে দাম্পত্য কলহের জেরে গত ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে স্ত্রীকে তালাক দেন বলে দাবি করেন তিনি।
এরই মধ্যে শনিবার পুনরায় বিয়ের দিন ধার্য করেন রুবেল ও তার পরিবার। এ খবর পেয়ে আগের স্ত্রী রিমা আক্তার তার স্বজনদের নিয়ে রুবেলের বাড়িতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষটি ঘরের ভেতর থেকে বাইরে ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের লোকজন এতে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন রিমা আক্তার, তার মা কহিনুর বেগম, ভাই সাইফুল ইসলাম, খালাতো ভাই রাব্বি ও খালা সাহিনুর বেগম।
গুরুতর আহত সাইফুল ইসলামকে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। এছাড়া রুবেলের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও আহত হয়েছেন।
রিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “রুবেল কয়েক মাস আগে দেশে এসে আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে হঠাৎ করেই আমাকে বাবার বাড়িতে রেখে আর খোঁজখবর নেয়নি। পরে জানতে পারি, সে নাকি আমাকে তালাক দিয়েছে-যা আমি স্বীকার করি না। আজ সে আমাকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের আয়োজন করলে আমরা প্রতিবাদ জানাতে গেলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।”
অন্যদিকে মহিম উদ্দিন রুবেল বলেন, “রিমা শারীরিকভাবে অক্ষম হওয়ায় গত ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাকে তালাক দিয়েছি। আজ নতুন বিয়ের জন্য রওনা হওয়ার সময় তারা আমাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়। এতে আমাদের পরিবারের সদস্যরাও আহত হয়েছেন।”
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital