বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ল শত বছরের স্মৃতিবিজড়িত বটবৃক্ষ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম
কচুয়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ল শত বছরের স্মৃতিবিজড়িত বটবৃক্ষ

কচুয়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ল স্মৃতিবিজড়িত সেই বটবৃক্ষ।

​চাঁদপুরের কচুয়া পৌর বাজারের প্রাণবিন্দু ও শত বছরের ইতিহাসের সাক্ষী সেই বিশাল বটগাছটি আজ আর নেই। বুধবার দুপুরে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে উপড়ে পড়েছে এক জীবন্ত ইতিহাস। গাছটি উপড়ে পড়ার সাথে সাথে যেন শেষ হয়ে গেল একটি যুগের গল্প।

​বুধবার দুপুরে হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে কচুয়া পৌর ধান বাজারে অবস্থিত এই বটগাছটি পার্শ্ববর্তী কাপড় পট্টির ওপর আছড়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকটি কাপড়ের দোকান দুমড়েমুচড়ে গেছে। দোকান মালিকরা আকস্মিক এই বিপর্যয়ে চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে গাছটি পড়ার সময় নিচে লোকজন না থাকায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

​কচুয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, এই বটবৃক্ষটি কেবল একটি গাছ ছিল না, এটি ছিল বাজারের ব্যবসায়ীদের আশ্রয়স্থল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এর শীতল ছায়ায় শৈশব কাটিয়েছে, ক্লান্তি দূর করেছে পথিক। এর প্রতিটি শিকড় জড়িয়ে ছিল কচুয়ার মাটির গভীর ইতিহাসে। দীর্ঘ এক শতাব্দী ধরে রোদ-বৃষ্টি ও নানা চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল এই মহীরুহ।

​ক্ষতিগ্রস্ত কাপড় পট্টির ব্যবসায়ীরা ফখরুল ইসলাম বলেন, বটগাছটি দোকানের ওপর পড়ায় মালামাল ও ঘর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান বাজারে এমন আর্থিক ধাক্কা সামলানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এখন দিশেহারা হয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর অপেক্ষায় আছেন। এ বিশাল বৃক্ষের পতন শুধু একটি গাছের মৃত্যু নয়, এটি কচুয়া বাজারের সম্মিলিত স্মৃতির এক ভগ্নস্তূপ।

Model Hospital

 স্থানীয় প্রবীণরা আক্ষেপ করে বলেন, এই বটগাছটিকে কেন্দ্র করেই আমাদের বাজারের অনেক ঐতিহ্যের শুরু হয়েছিল। আজ সেটি লুটিয়ে পড়ায় মনে হচ্ছে বাজারের একটা অংশ প্রাণহীন হয়ে গেল।

​কেন এই ক্ষতি এত গভীর আর এর প্রভাব কতদূর—তা নিয়ে এখন পুরো কচুয়াজুড়ে চলছে শোকাতুর আলোচনা। বহু যুগ ধরে কচুয়া বাজারের প্রতীক হয়ে থাকা এই বটবৃক্ষটি এখন কেবলই ইতিহাস।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital