বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় রাজনৈতিক গায়েবি মামলায় ১০ বছর হয়রানির শিকার মাহবুব মৃধা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম
কচুয়ায় রাজনৈতিক গায়েবি মামলায় ১০ বছর হয়রানির শিকার মাহবুব মৃধা

কচুয়ায় গায়েবী মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়ে বাদীকে বুকে টেনে নিলেন উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলম মৃধা।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুয়া ও গায়েবী মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল হক তার দোকানে চাঁদা দাবি করেছে বলে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় ৮ জন এজাহার ভুক্ত আসামি করেন। ৩ নাম্বার আসামি করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধাকে।

মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের সাথে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর এসআই ওয়াজেদ আলী ওই মামলার সাক্ষী হয়েছেন।

মামলার বাদী ফজলুল হক এই মামলার আসামি মাহবুব আলম মৃধাকে চিনেন না। ওই মামলার বিষয়ে বাদী ঠিকমতো জানে না, এজাহারে কার কার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Model Hospital

গায়েবি মামলার হয়রানির শিকার মাহবুব আলম মৃধা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০১৭ সালে আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক গায়েবি মামলা করা হয়। যাহার মামলার নং ১৪৩/ ১৬। পরে জানতে পারি ওই মামলার বাদী উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল নামের এক ব্যক্তি। ওই মামলার বাদীর সাথে আমার জীবনে কখনো দেখা হয়নি, এমনকি আমি তাকেও চিনি না। গায়েবি মামলাকে কেন্দ্র করে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি ইকবালের নির্দেশে থানার পাশে করইশ আমার নিজ গ্রামে গিয়ে আমাকে না পেয়ে আমার বাড়িঘরে হামলা এবং আমার পরিবার লোকজনকে হুমকি-ধুমকি প্রদান করে। আমাকে ক্রসফায়ার দেয়ার জন্য বারবার হুমকি-ধুমকি প্রদান করেন ওসি ইকবাল।

ওই মামলার বাদী ফজলুল হক সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বলেন, মাহবুব আলম মৃধা নামে আমি কাউকে আসামি করেনি। ওর সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, আমি তাকে চিনি না। উনাকে কেনো আমার মামলায় আসামি করা হয়েছে তাও আমি জানিনা।

স্থানীয়রা জানান, বিনা অপরাধে গায়েবি মামলায় মাহবুব আলম মৃধা দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছে বিষয়টি দুঃখ জনক। বিনা অপরাধ এই লোকটির দীর্ঘ অনেক বছর হয়রানির শিকার হয়,যেখানে রাগ ক্ষোভ থাকার কথা ছিলো সেখানে বাদীকে বাবার সমতুল্য হিসেবে শ্রদ্ধা সম্মান করেন। এটা আসলে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন, উদারতা মনের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন মাহবুব আলম মৃধা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital