শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রোঞ্জ ও সিলভার মেডেল জিতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পেল চাঁদপুরের ৬ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
ব্রোঞ্জ ও সিলভার মেডেল জিতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পেল চাঁদপুরের ৬ শিক্ষার্থী

চাঁদপুরের ছয় শিক্ষার্থী জাতীয় উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মালয়েশিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। তারা একটি স্মার্ট সোলার হুইলচেয়ার উদ্ভাবন করে ‘Applied Physics and Engineering’ বিভাগে সিলভার মেডেল এবং ‘Innovative Social Science’ বিভাগে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করেছেন।

গত শনিবার (৯ মে) রাজধানীর নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় ‘8th World Invention Competition and Exhibition–2026, Bangladesh National Round’। ড্রিমস অব বাংলাদেশ আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পাঁচটি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৮০টি দল।

চাঁদপুর থেকে অংশ নেওয়া তিনটি দলের শিক্ষার্থীরা দুটি প্রকল্প নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তাদের উদ্ভাবিত “সোলার সিস্টেম স্মার্ট হুইলচেয়ার” বিচারকদের নজর কাড়ে।

দলের মূল উদ্ভাবকরা হলেন—চাঁদপুরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়–এর দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহদী রহমান এবং আল-আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ–এর দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার নাজমুস সাকিব ও অরিত্র রায়।

Model Hospital

অতিরিক্ত সদস্য হিসেবে ছিলেন মো. মুনতাছির, এস এম সেহরান সাদমান, ইয়ামিন ইসলাম মাহিন, শাহরুল ইসলাম শাওন ও আলভি আল কামাল।

শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের তৈরি স্মার্ট হুইলচেয়ারটি জিপিএস নেভিগেশন ও সেফ ড্রাইভিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এটি ভয়েস কন্ট্রোল, রিমোট কন্ট্রোল ও জয়স্টিক ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ডেমো মডেলটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৬০০ টাকা। বাস্তবে পূর্ণাঙ্গভাবে তৈরি করতে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাগতে পারে বলে তারা জানান।

উদ্ভাবক শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, প্রতিবন্ধী ও চলাচলে অক্ষম মানুষের স্বাধীনভাবে নিরাপদে চলাফেরার সুযোগ তৈরি করতেই তারা এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে হুইলচেয়ারটি সৌরশক্তিচালিত করা হয়েছে, যাতে এটি পরিচালনায় অতিরিক্ত বিদ্যুতের প্রয়োজন না হয়।

এর আগে একই প্রকল্প নিয়ে মো. মাহদী রহমান, খন্দকার নাজমুস সাকিব ও অরিত্র রায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মালয়েশিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে স্পন্সরের অভাবে তারা যেতে পারেননি।

এ ছাড়া ‘International Science and Invention Fair–2025’-এ অনলাইনে অংশ নিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আসরে ২৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সিলভার মেডেল অর্জন করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এবার প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন এবং চাঁদপুরের নাম বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। এজন্য তারা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital