বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে জমি–বিরোধে ‘মিথ্যা মামলা’, সাক্ষীদের বক্তব্যে মিলল ভিন্ন চিত্র

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে জমি–বিরোধে ‘মিথ্যা মামলা’, সাক্ষীদের বক্তব্যে মিলল ভিন্ন চিত্র
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকটি পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের ষোলদানা গ্রামের মিজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রয়াত মহসিন মিজির স্ত্রী সামছুন নাহার ও তাঁর ছেলে মো. ফয়সাল আহমেদ জমি–বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও মামলার সাক্ষীদের বক্তব্যে মারধরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৮ মে সকালে বাড়ির জমিজমা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলাকালে কথা–কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সবাই নিজ নিজ ঘরে চলে যান। তবে মামলার এজাহারে যাঁদের আসামি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৩ নম্বর আসামি সোহেল মিজি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মান্নান মিজি ও আয়েশা বেগম বলেন, “সকালে জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। মামলার ৩ নম্বর আসামি সোহেল মিজিও সেখানে ছিলেন না। এমনকি বাদী সামছুন নাহারও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।”
মামলার এজাহারভুক্ত সাক্ষী হানিফ মিজি ও লতিফা বেগমও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, ঘটনার দিন বাক্‌বিতণ্ডা হলেও কোনো হামলা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সামছুন নাহারের ছেলে ফয়সাল আহমেদ বলেন, “এজাহারে উল্লেখিত আসামিরা আমাদের জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছিল। বাধা দিতে গেলে তারা আমার মা ও বোনদের মারধর করে। এতে আমার মা আহত হন। পরে তারা আমাদের ঘরে লুটপাট চালায়।”
মামলার সাক্ষীরা মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফয়সাল আহমেদ সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন জিলন বলেন, “মিজি বাড়ির জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধ আগে আমরা মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। তবে ৮ মে কোনো মারামারির ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নই। এছাড়া মহসিন মিজির পরিবারের সদস্যরা তাঁদের অংশের চেয়েও বেশি জমি ভোগদখলে রয়েছেন বলে জানা গেছে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital