শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, রাতে ঢিল নিক্ষেপ অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, রাতে ঢিল নিক্ষেপ অব্যাহত
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক নেতা কাজী হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর গভীর রাতে ঢিল-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা, শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের নির্বাচিত সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবিরের বসতবাড়িতে সম্প্রতি হামলা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, কাজী অনিক (২৭) ও তার ভাই কাজী অন্তর (৩০), পিতা কাজী খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ১০/১১ জনের একটি দল বাড়ির সীমানা প্রাচীর, টিনের বেড়া ও বসতঘরে ভাঙচুর চালায় এবং লুটপাট করে।
এ সময় কাজী হুমায়ুন কবিরের ছোট ছেলে কাজী মাসুদুর রহমানের স্ত্রী খায়রুন নাহার কলি মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা বাঁশ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং বসতঘর ও জানালায় হামলা চালায়। এ ঘটনায় শাহরাস্তি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর-১৩, তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২৬।
বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, ঘটনার পর অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্টো বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালায় এবং এলাকাবাসীকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে।
পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে মামলার এক বিবাদী কাজী ইসমাইল হোসেন নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে এলাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষ তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। বিদেশে অবস্থানরত কয়েকজনের সহায়তায় তার ওমরা হজে থাকার সময় শংকরপুর মাদ্রাসার জমি দখলেরও অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অশালীন ও মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন।
কাজী হুমায়ুন কবির জানান, অতীতের একটি সামাজিক বিচারকে কেন্দ্র করে ২০০৬ সাল থেকেই একটি পক্ষ তার পরিবারের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে আসছে। সে সময় প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। বর্তমানে বাড়িতে হামলা ও পরবর্তী সময়ে রাতের আঁধারে ঢিল নিক্ষেপের ঘটনায় পরিবারটির সদস্যরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির ও তার পরিবারের সদস্যরা।
এ বিষয়ে তিনি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital