বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজীর মামলা, স্বাক্ষীদের দাবি ‘মিথ্যা অভিযোগ’

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১১:২৮ এম
চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজীর মামলা, স্বাক্ষীদের দাবি ‘মিথ্যা অভিযোগ’
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজীর দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় আনা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ থাকা কয়েকজন ব্যক্তি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক ও জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সম্প্রতি উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাগপুর এলাকার শেখ বাড়ির রুহুল আমিন শেখের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার তাঁর চাচার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়।
তবে সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা কয়েকজন অভিযোগ করেন, তাঁদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। এমনকি মামলার ঘটনার বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতেই এ মামলা করা হয়েছে। এছাড়া মামলার এজহারে উল্লেখিত আসামী রাফি সুমন ও বদরুল ভূঁইয়ার সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নাই।
মামলার এজহার নামীয় সাক্ষী মো. মাসুদ বলেন, “আমাকে সাক্ষী করা হয়েছে, অথচ আমি এ ঘটনার কিছুই জানি না। আমার কোনো বক্তব্যও নেওয়া হয়নি।”
অভিযুক্ত চাচা সিরাজ শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, গত ১২ এপ্রিল আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় ছিলাম। আমার ছেলে নাজমুল শেখ ছিলো শশুর বাড়ি এবং আরাফাত পড়াশোনার সুবাদে চাঁদপুরে অবস্থান করছিল। এছাড়া আমার ছোট ভাই মমিন শেখ খোকা কর্মের সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করে। আমরা বাড়িতেই ছিলাম না এবং মারামারির ঘটনাও ঘটেনি। তার পরেও আমরা কিভাবে মামলার আসামি হই? তিনি এ মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
মামলার বিষয়ে বাদী সুমাইয়া আক্তারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, সিরাজ শেখের সাথে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত আমাদের
বিরোধ চলে আসছে। তারা বিভিন্ন সময় আমাদের মারধর করে। গত ১২ এপ্রিল তারা আমার ভাই শাহাদাত শেখসহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করে আহত করেন।
তিনি আরও বলেন,  আমাদের মূলত সমস্যা জমি নিয়ে, আসলে উশৃংখল সবাই, এক পক্ষ না। এক হাতে কোনদিন তালি বাজে না।
এ বিষয়ে কামতা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারন সম্পাদক কাউছার আহাম্মেদ ভূঁইয়া জানান, সিরাজ শেখ ও তাঁর শাহাদাত শেখদের জমি-জমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তবে মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন জানান, সিরাজ শেখ ও শাহাদাত শেখদের সাথে দীর্ঘদিন জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। তবে মারামারির বিষয়ে আমি অবগত নই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital