বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় ওয়ারিশ সম্পত্তি দখল করে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি দান করার অভিযোগ

কচুয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
কচুয়ায় ওয়ারিশ সম্পত্তি দখল করে ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি দান করার অভিযোগ

কচুয়ায় ছোট ভাইয়ের সম্পত্তি প্রত্যারনা করে দান করার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে ওয়ারিশদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও ছোট ভাইয়ের সাব কবলা দলিলের সম্পত্তি প্রতারণা করে ইউনিয়ন কৃষি অফিসকে দান করার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাই মৃত আব্দুল সাত্তার ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে। ওয়ারিশদের পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার ও কৃষি অফিস থেকে নিজের যায়গায় উদ্ধার করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আব্দুল মোতালেব আদালতের বারিন্দায় ঘুরছেন।

ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেব ও স্থানীয় লোকজন জানান, নলুয়া মৌজার ৯৩ খতিয়ানের ৫৪৮ দাগের ৪৫ শতাংশ সম্পত্তি আব্দুস সাত্তার ও ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আব্দুল মোতালেবের।

ওই জায়গা আব্দুস সাত্তার বাড়ির অন্য যায়গার বিনিময়ে ২০১৬ সালে বণ্ডক নামা করে ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেবকে ৪১ শতাংশ জায়গা সার্ব কবলা দলিল করে রেজিস্ট্রার করে দেয়। ওই জায়গা উপর ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আব্দুল মোতালেব বসতবাড়ি ও ভবন নির্মান করে। তখন কেউ বাধা দেয়নি. ভবন করার পর উপজেলা কৃষি অফিস তাদের নিজস্ব সম্পত্তি বলে দাবী করে এই জায়গার উপর মামলা দায়ের করলে পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেব জানতে পারে।

কাগজপত্র দেখে আব্দুল মোতালেব তার বড় ভাই আব্দুল সাত্তার ১৯৮২ সালে কাউকে না জানিয়ে প্রতারণা করে ইউনিয়ন কৃষি অফিসের নামে ১৫ শতাংশ জায়গা দলিল করে দেয়। কৃষি অফিস এই জায়গা দখল করতে আসলে ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেব আদালতের দ্বারস্থ হন। কৃষি অফিসের যায়গা নিয়ে আব্দুস সাত্তার ওয়ারিশ গংদেরকে কাউকে না জড়িয়ে ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেবকে হয়রানি করছে এটা আসলে দুঃখজনক।

Model Hospital

হাজী ইদ্রিস মুন্সির ফসলি মাঠের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেব বলেন ,হাজী ইদ্রিস মুন্সির ওয়ারিশ হিসেবে আমরা ২ ভাই ৪ বোন। আমাদের ভাই বোনের সম্পত্তি ২০১৬ সালে বন্ঢক নামা দলিলের বাহিরে ২২৫ খতিয়ানের ১ একর পঞ্চাশ শতাংশ জায়গা বড় ভাই আব্দুল সাত্তারের ছেলেরা দখল করে নিয়েছে।

পরবর্তী আব্দুল সাত্তারের মারা যাওয়ার পর ছেলে হাবিব উল্লাহ গংরা এই জায়গাগুলো জোরপূর্বক ভোগ দখল করে আছেন। পরবর্তীতে আমি ও বোনেরা মিলে পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের মাধ্যমে জমি গুলো সকল কাগজপত্র উপস্থাপনা করি। ভূমি অফিস কাগজপত্র গুলো দেখে সঠিকভাবে ১এক ৫৫ শতাংশ জায়গা আমি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আব্দুল মোতালেব ও ৪বোন খাইরুন নেসা, আনোয়ারা বেগম,হরুনের নেছা, শহর বানুর নামে খারিজ করে দেয়।

জমি খারিজ করে দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে ভাতিজা হাবিবুল্লাহ গংরা আমাকে ও আমার বোনদেরকে হয়রানির উদ্দেশ্যে চাঁদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন । যাহার মামলার নং ৪৯৭/২৬। এছাড়াও নলুয়া মৌজার ৯৩ খতিয়ানের আরেক বণ্ডক নামার বাহিরে হাবিব উল্লাহ গংদের জোরপূর্বক দখল করার জমি ৬২ শতাংশ জায়গা খারিজের খারিজের মাধ্যমে উদ্ধার করি।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম আব্দুল মোতালেব আরো জানান, আমার ভাই আব্দুল সাত্তার মৃত্যুর আগে আমাদের ভাই-বোনদের ওয়ারিশ এর জায়গা প্রতারণা করে দখল করে নিয়েছে। আব্দুল সাত্তার মারা যাওয়ার পর পরবর্তীতে আমার ভাতিজারা ওই জায়গাগুলো জোরপূর্বক এখন দখলে আছে। এই জায়গাগুলো নিয়ে আমাকেও আমার বোনদেরকে একাধিকবার আদালতে হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের করেছেন। এলাকার কোন সালিশ ও স্থানীয়দের সমাধান তারা মানেনি।

এছাড়াও মৃত আব্দুল সাত্তার দানকৃত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রের ৪৫ শতাংশ জায়গার মধ্যে ১৫ শতাংশ জায়গা নিজে বাদী ও আসামি সেজে আদালতে মামলা করে দখল করে নিয়েছে। কচুয়া নলুয়া সরকারি টোয়া বাজার দখল করে রাখছেন আব্দুল ছাত্তার ছেলে হাবিব উল্লাগ হংরা।

এব্যাপারে হাবিব উল্লাহ’র তার বাড়িতে গেলে তাকে না পেয়ে মোবাইলে ফোন দিলে মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital