বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়ায় নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মানবতার ডাক ফাউন্ডেশনের অংশগ্রহণ

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১:৪০ পিএম
মহামায়ায় নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মানবতার ডাক ফাউন্ডেশনের অংশগ্রহণ
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে এবং সারাদেশে নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মহামায়া সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া এলাকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেন মতলবের উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের সামাজিক সংগঠন মানবতার ডাক ফাউন্ডেশন।
স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটির আত্মপ্রকাশের পর এই প্রথম একটি সামাজিক কার্যক্রমে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
বহুসংখ্যক সদস্য নিয়ে উক্ত প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন সংগঠনটি। অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মানবতার ডাক ফাউন্ডেশনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মজুমদার।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শিশু রামিসাকে পৈশাচিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীকে দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানান। একই সঙ্গে সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে সমাজে অপরাধ প্রবণতা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
প্রভাত যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি জুয়েল হাজীর পরিচালনায় উক্ত প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সদস্য জসিম উদ্দিন মিজি, শাকিল মিজি, সুজন মিজি, সুফিয়ান মিজি, রিমন মিজি, জিহাদ বেপারী, হাসান মিজি, রাকিব সরকার, আল আমিন মজুমদার, শিহাব মিজি, সাইমুন মিজি, মেহেদী মজুমদার, ফাহিম মিজি, হারেস মিজি, রাকিব বেপারী ও রাকিব মিজি সহ অন্যান্য সদস্যরা।
জানা যায়, রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ড সহ সারাদেশে সংঘটিত সকল ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চাঁদপুর সদরের মহামায়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিলটি বের হয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়ক পদক্ষিণ করে মহামায়া পশ্চিম বাজার হয়ে মধ্য বাজারে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সড়কের পাশে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মহামায়া সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে এতে উক্ত এলাকার ১১টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশগ্রহণ করেন। এতে মহামায়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন, শাহমাহমুদপুর ইউপি মেম্বার কবির হোসেন রনি, সমাজসেবক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী সহ সামাজিক সংগঠনের সদস্য, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যানার, পেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও পেস্টুন প্রদর্শন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital