বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লার বিলে মিলল কচুয়ার সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের মরদেহ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
কুমিল্লার বিলে মিলল কচুয়ার সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের মরদেহ

ফাইল ছবি: নুরুল ইসলাম।

চাঁদপুরের কচুয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৭০) নামের এক সার ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার একটি বিল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলার তুলপাই গ্রামের কারী সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

​নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারের উদ্দেশ্যে  রওনা হন। দুপুরের দিকে দোকানে গিয়ে দোকান বন্ধ দেখে পাশের ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন অসুস্থতার কথা বলে তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেখানে পৌঁছাননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

​শনিবার রাতে কচুয়া থানার মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার শ্রীনিবাস পূর্বপাড়া হাইওয়ে রোডের পাশের একটি বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে নুরুল ইসলামের মরদেহ শনাক্ত করেন এবং পরে তা বাড়িতে নিয়ে আসেন।

​কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ বলেন, আমার বাবার সাথে কারও কোনো শত্রুতা বা ঝগড়া-বিবাদ ছিল না। কেন এবং কী কারণে তাকে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হলো, তা আমরা বলতে পারছি না। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

Model Hospital

সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কচুয়া বাজারের সার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

​এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, ব্যবসায়ী নিখোঁজের পরপরই তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হারানো  জিডি করা হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমরা আশপাশের সব থানায় বার্তা পাঠিয়ে ছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা থেকে একটি বার্তা আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital