বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলবের উপাদীতে সম্পত্তিগত বিরোধে বসত বাড়ি ভাঙচুর করে লুটপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১২:০৬ এম
মতলবের উপাদীতে সম্পত্তিগত বিরোধে বসত বাড়ি ভাঙচুর করে লুটপাটের অভিযোগ
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৬নং উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনায় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড করবন্দ বেপারী বাড়ির প্রবাসী নাসির উদ্দিনের স্ত্রী হাওয়া বেগম বলেন, মোঃ আহম্মদ উল্লাহ, তার ছেলেরা সহ তার ভাই মোঃ এনায়েত উল্লাহ্ আমার পাশাপাশি বাড়ীর বাসিন্দা।
আমি তাদের এক ভাই হাফেজ মোঃ নুরুল্লার কাছ থেকে ৯ শতাংশ পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয় করি প্রায় দেড় বছর আগে। ঐ সম্পত্তিতে আমরা দখলে গেলে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। গত মাসের ২৫ তারিখে আমরা আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে বাড়ি করার উদ্দেশ্যে টিনের বেড়া দিলে তারা তাদের নিজেদের সম্পত্তি দাবি করে এগুলো ভাঙচুর করে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। পরে গত ৩ জুন বুধবার দিবাগত রাতের আঁধারে যেকোন সময় তারা উক্ত বেড়ার টিন ও পিলারগুলো আহম্মদ উল্লাহর শশুর বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বড় সুন্দর পাটওয়ারী বাড়িতে নিয়ে লুকিয়ে রাখে।
এমন ঘটনার সত্যতা শনিবার (৬ জুন) সকালে বড় সুন্দর পাটওয়ারী বাড়িতে গিয়ে দেখা মিলে। বাড়ির কয়েকজন প্রতিবেশি সাংবাদিককে বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকালে আহম্মদ উল্লাহর শ্যালকের ছেলে ফয়সাল এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসেন, আমরা এতটুকুই দেখেছি। এদিকে ফয়সালের বোন বলেন, আমার ফুফা এগুলো অর্ধেক পথ এনে দিলে আমার ভাই সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে। তবে কি কারনে আনতে বলেছে আমরা এর কিছুই জানি না।
হাওয়া বেগম আরো বলেন, বুধবার দিবাগত রাতের যেকোন সময় আহম্মদ উল্লাহ ও তার ছেলেরা আমার অগোচরে উক্ত অস্থায়ী বসত বাড়ি ঘর ভাংচুর করে ঘরে থাকা ২০ বস্তা ধান সহ অন্যান্য আসবাপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি টাকা দিয়ে সম্পত্তি কিনেছি। আমাদের বৈধ দলিল আছে। ওনাদের পারিবারিক ঝামেলা থাকলে ওনারা নিজেরা বসে সমাধান করুক। আমাদের সাথে তারা শুধু শুধু হয়রানি করে আসছে। আমরা প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এর সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে অভিযোগের এক বিবাদী আহম্মদ উল্লাহর ছেলে সালমান বলেন, এই সম্পত্তি হচ্ছে আমার বাবার পৈত্রিক। তারা জোড় করে কম দাম দিয়ে আমার জেঠার কাছ থেকে ক্রয় করে নিয়ে নেয়। এমনকি তারা আমাদের উপর হামলা করে আমাদের কয়েকজনকে রক্তাক্ত করেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে আমরাও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।
এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার এসআই মোঃ জালাল এ প্রতিবেদককে বলেন, গত কয়েকদিন আগে থ্রিপল নাইন নম্বরে কল পেয়ে এসপি স্যারের নির্দেশে ওসি সাহেব আমাকে ঘটনাস্থলে পাঠান যে, সেখানে নাকি এক ব্যক্তির পায়ে কোপ দিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই তারা রোগিকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে আঘাতের ছবি দেখে মারাত্মক কোন সমস্যা বোঝা যায় না।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ ওসি সাহেব ভালো বলতে পারবেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital