বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।‌ ৯ জুন মঙ্গলবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের জীবনদীপ কার্যালয়ে হল রুমে এই আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক শিপ্রা মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাবিত্রী রাণী ঘোষের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা ঐক্য হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. বিনয় ভূষণ মজুমদার‌।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান পরিষদের সদস্য সচিব আজিত সাহা। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সহ-সভাপতি তপন সরকার, সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রায়, সদস্য নির্মল রায়, আশিস মজুমদার, সদর উপজেলা ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব প্রশান্ত সেন, চাঁদপুর পৌর ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর দাস, জেলা যুব ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অমরেশ দত্ত জয়, সদস্য সচিব পা্র্থ গোপাল দাস, বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদের পাপড়ি বর্মন, কবিতা সাহা।

তৃষ্ণা দাস ও পাপড়ি দাসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই গীতা পাঠ করেন স্মৃতি রাণী দেবনাথ ও বাইবেল থেকে পাঠ করেন লিসা। জাতীয় সঙ্গীত ও রণ সঙ্গীত পরিবেশন করেন কবিতা সাহা, রাখি মজুমদার, কাকলি পালসহ অন্যান্যরা।

আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্যে বলেন, “একটি দেশের উন্নয়ন কখনোই নারীদের বাদ দিয়ে সম্ভব নয়। নারীরা আজ সমাজ, রাষ্ট্র ও অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার এই অভিষেক নারী নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এদেশের সংখ্যালঘু নারীদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি নারীর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্য ও অবহেলা দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা নতুন নেতৃত্বের এই সংগঠনের সফলতা কামনা করছি।”

Model Hospital

সভাপতির বক্তব্য শিপ্রা মজুমদারের বলেন, “বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের দিন। নারীর অধিকার, মর্যাদা ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আমরা আজ নতুন প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করছি। একটি উন্নত ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই চাঁদপুরের প্রতিটি নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ লাভ করুক। সকলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ নারীদের কল্যাণে কাজ করে যাবে।”

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে সাবিত্রী রানী ঘোষ বলেন, “আমাদের ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে, তা একটি বড় দায়িত্ব। আমরা নারী সমাজের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করছি। নারীদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, আইনি সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখাকে একটি কার্যকর ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital