বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে পৃথক ঘটনায় মসজিদের ইমাম ও যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:০১ এম
শাহরাস্তিতে পৃথক ঘটনায় মসজিদের ইমাম ও যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে একই দিনে দুটি পৃথক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুই ব্যক্তির প্রাণহানির ঘটনায়  উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের একজন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মসজিদের ইমাম ও সাবেক শিক্ষক হাফেজ মো. ইসমাইল হোসেন।
অন্যজন নিজ বাড়ির সামনের মসজিদে কাজ করার সময় ছাদ থেকে পড়ে নিহত হওয়া মো. সুমন হোসেন আখন্দ (৪০) ওই বাড়ির খোরশেদ আলমের পুত্র।
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন এ দুই হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে দুই পরিবারের আঙিনা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বলশিদ ছেংগাছাল গ্রামের কৃতি সন্তান ও উয়ারুক বাজারস্থ উদয়ন পাবলিক স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক হাফেজ মো. ইসমাইল হোসেন সকালে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উয়ারুক স্টেশন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের (হাইড্রোলিক গাড়ি) সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি ইন্তেকাল করেন।
নিহত ইসমাইল হোসেন স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এলাকাবাসী জানান, তিনি অত্যন্ত সজ্জন, হাস্যোজ্জ্বল ও ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
অপরদিকে শাহরাস্তি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিজমেহার আখন্দ বাড়ির বাসিন্দা মো. সুমন হোসেন আখন্দ নিজ বাড়ির সম্মুখে অবস্থিত একটি মসজিদের দ্বিতীয় তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান। এতে তিনি মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নেওয়ার উদ্যোগ নিলে পথেই তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম নেমে আসে।
প্রতিবেশীরা জানান, সুমন হোসেন আখন্দ ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও সদালাপী মানুষ। তিনি সবার সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ ছিলেন।
একই দিনে দুই পরিচিত  ব্যক্তির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে  শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital